বাংলা সাহিত্যের আদি পর্বের গতি প্রকৃতি ও নিদর্শন সমূহ
বাংলা ও বাঙালির পরিচয়
* ৫ম-৬ষ্ঠ খ্রিস্টাব্দে গুপ্ত শাসনকালে এই বঙ্গদেশের সঙ্গে উত্তর ভারতের ঘনিষ্ঠতা হয়। এইসময় বেদ-উপনিষদ সংহিতার প্রভাব পড়তে শুরু করে।
এই সংকলনটির সংকলনের সমাপ্তি ১২০৭ সালের প্রথম দিকে। সংকলক শ্রীধর দাস। তাঁর পিতা বটু দাস ছিলেন রাজা লক্ষ্মণ সেনের বন্ধু ও প্রতিরাজ (রাজ প্রতিনিধি)। সংকলনটিকে রাজা, অমাত্য থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের রচনাও স্থান পেয়েছে-লক্ষ্মণ সেন, কেশব সেন, রাজপুত্র দিবাকর, যোয়ী, উমাপতি ধর, গোবর্ধন আচার্য প্রভৃতির সঙ্গে যে নামগুলি বাঙালির পরিচয় বহন করে তাঁরা হলেন-কমল গুপ্ত, রবি গুপ্ত, কালিদাস নন্দী, যজ্ঞ ঘোষ, দিবাকর দত্ত, প্রভাকর দত্ত প্রভৃতি।
প্রাকৃত পৈঙ্গল
বঙ্গদেশে রচিত বা সংকলিত গ্রন্থগুলির মধ্যে আর একটির নাম 'প্রাকৃতপৈঙ্গল'।
প্রাক্-আধুনিক বাংলা সাহিত্য মূলত ধর্মকেন্দ্রিক। ধর্মকে অবলম্বন করে প্রাচীন বাংলা সাহিত্য একটি নিজস্ব অবয়ব পেয়েছিল। দেখা যায়, বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার ও প্রসারের দিনগুলিতে বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যরা তাঁদের শিষ্যদের ধর্ম পালন করবার কিছু নির্দেশাবলী প্রদান করেছিলেন। ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষজন তন্ত্রকেন্দ্রিক বৌদ্ধধর্ম সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ফলে বাংলা সাহিত্যের সূচনাতে বৌদ্ধ ধর্মের একটি নেপথ্য ভূমিকা আছে।
বৌদ্ধধর্মের উদ্ভব: খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৫ম শতাব্দীতে মহাত্মা গৌতম বুদ্ধের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
এখান থেকে যে প্রশ্নগুলি পরীক্ষায় আসতে পারে-
ধন্যবাদ…��ড. চন্দন বিশ্বাস