1 of 9

POETICS: ARISTOTLE

Six Components of the Tragedy

PREPARED BY

PROF. DEBANJAN DAS

2 of 9

Definition of the Tragedy:

কাব্যতত্ত্বের ষষ্ঠ অধ্যায়ে অ্যারিস্টটল ট্রাজেডির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন :

" A tragedy, then, is the imitation of an action that is serious and also, as having magnitude, complete in itself; in language with pleasurable accessories, each kind brought in separately in the parts of the work; in a dramatic, not in a narrative form ; with incidents arousing pity and fear, wherewith to accomplish its catharsis of such emotions." (Aristotle On The Art Of Poetry / Tr. by Ingram Bywater)

   

এই অধ্যায়ে অ্যারিস্টটল ট্রাজেডির ছয়টি উপাদানের নাম তালিকাবদ্ধ করেছেন। কয়েকটির সংজ্ঞা দিয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত প্রধান দুটি অঙ্গের পারস্পরিক গুরুত্ব বিচার করে তার মধ্যে একটির প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করেছেন। ফলে এই অধ্যায়টি অ্যারিস্টটল এর বিশ্লেষণ ক্ষমতা এবং বিচার সামর্থ্য দুই দিক থেকেই মূল্যবান।

3 of 9

Six Components of the Tragedy:

অ্যারিস্টটল এর মতে ট্রাজেডির অপরিহার্য উপাদান ছয়টি, এগুলি হল : 

     ১. কাহিনী বা বৃত্ত (Fable or Plot).

     ২. চরিত্র (Character)

     ৩.বাচন (Diction)

     ৪. মনন বা অভিপ্রায় (Thought)

     ৫. দৃশ্যসজ্জা ( spectacle)

     ৬. সংগীত ( Melody)

 

এই উপাদানগুলির জাতি নির্দেশ ও করে দিয়েছেন তিনি নিজেই। বৃত্ত,চরিত্র,বাচন,মনন,দৃশ্যসজ্জা এবংসংগীত সম্বন্ধে বলেছেন : "------ two of them arising from the means , one from the manner, and three from the objects of dramatic imitation."

   

 ট্রাজেডিতে এই অঙ্গগুলির গুরুত্ব অনুযায়ী ক্রমবিন্যস্ত করার পর অ্যারিস্টটল এগুলির সম্পর্কে বিস্তারিত পরিচয়ে অগ্ৰসর হয়েছেন।

4 of 9

PLOT:

কাহিনী (Fable or Plot) : কাহিনীকে অ্যারিস্টটল সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। কাহিনীর গঠন, বিভিন্ন শ্রেণী,অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং আদর্শ নিপুণভাবে বর্ণিত হয়েছে।সপ্তম অধ্যায়ে বলেছেন; কাহিনীর থাকবে পরিপূর্ণতা, সমগ্ৰতা এবং বিশেষ আয়তন। সমগ্ৰ অর্থে আদি, মধ্য এবং অন্ত্য যুক্ত। তাঁর মতে কাহিনীর ঐক্য ট্রাজেডির একটি প্রধান লক্ষণ। এই ঐক্য চরিত্রকে কেন্দ্র করে আসে না, " Unity of a plot does not consist, as some suppose, in its having one man as its subject."(chap.8th)

 •  দুই রকমের কাহিনীর কথা বলেছেন অ্যারিস্টটল - সরল এবং জটিল।

সরল কাহিনী হল একক এবং অবিচ্ছিন্ন যার মধ্যে অবস্থার পরিবর্তন ঘটে ' বিপ্রতীপতা' এবং 'উদ্ঘাটন' ছাড়াই। " Without reversal of the situation and without recognition". আর জটিল কাহিনী হবে বিপ্রতীপতা বা উদ্ঘাটনযুক্ত। এই বিপ্রতীপতা ও উদ্ঘাটন এমন হওয়া উচিত যাতে এগুলি কাহিনীর গঠন থেকেই স্বাভাবিক ভাবে উদ্ভূত হতে পারে। উপকাহিনীতে ভরা কাহিনীকে অ্যারিস্টটল নিকৃষ্ট বলে মনে করছেন। সপ্তদশ অধ্যায়ে অবশ্য অ্যারিস্টটল ট্রাজেডিতে উপকাহিনীকে অঙ্গীভূত করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রথমে কাহিনীর রূপরেখাটি অঙ্কিত করে নিয়ে পরে উপকাহিনী দিয়ে মূল কাহিনীটিকে পুষ্ট করার কথা বলেন তিনি।

5 of 9

CHARACTER:

চরিত্র (CHARACTER) : কাহিনীর পরেই আসে চরিত্রের কথা। ট্রাজেডির যে বিপর্যয় তা কাহিনীর অন্তর্ভূক্ত হলেও বিপর্যয়টি মানুষের। চরিত্রের এই বিপর্যয় দর্শক পাঠকের করুণা ও ভয়কে আকর্ষণ করে।তাই অ্যারিস্টটলের সিদ্ধান্ত ট্রাজেডির চরিত্র হবে-খুব ভালো বা খারাপ মানুষ নয়, মোটামুটি চরিত্রটি হবে উৎকৃষ্ট অথচ ত্রুটিযুক্ত এবং এই ত্রুটির জন্যই তার পতন ঘনিয়ে আসবে। এই চরিত্রকে হতে হবে সম্ভ্রান্তকূলের খ্যাতনামা কোনো ব্যক্তি। পঞ্চদশ অধ্যায়ে অ্যারিস্টটল চরিত্র রচনার জন্য চারটি সূত্রের উল্লেখ করেছেন। এগুলি হল :

     ১.চরিত্রটিকে ভালো হতে হবে। " FIRST AND MOST IMPORTANT, IT MUST BE GOOD.“

    ২.চরিত্র হবে স্বাভাবিক এবং যথাযথ।

    ৩.চরিত্র হবে অনুগত - " CHARACTER MUST BE TRUE TO LIFE.“

    ৪.চরিত্রে থাকবে সংগতি। মূলে অসংগতি থাকলেও সেই অসংগতির মধ্যেও সংগতি আনতে হবে। বুচারের ভাষায় চরিত্রকে হতে হবে , " CONSISTENTLY INCONSISTENT."

6 of 9

THOUGHT:

অভিপ্রায় ( Thought) : চরিত্রের পরেই আসে অভিপ্রায়। অভিপ্রায় কী তা বলতে গিয়ে ষষ্ঠ আধ্যায়ে অ্যারিস্টটল বলেছেন চরিত্রগুলি কোনো কিছু প্রমান করার জন্য যা কিছু বলে বা কোনো বিষয়ে যে মতামত দেয় সেই ব্যাপারটি হল অভিপ্রায়। আবার বলেছেন অভিপ্রায় হল সম্ভাব্য এবং উপযুক্ত ভাব প্রকাশের সামর্থ্য। এর প্রকাশ ট্রাজেডির সংলাপে। মূলত রাষ্ট্রতত্ত্ব ও ভাষণ কলাশাস্ত্রের অন্তর্গত এটি।

7 of 9

DICTION:

ভাষারীতি( Diction) : অভিপ্রায়ের পরেই আসে ভাষারীতির প্রসঙ্গ। তাঁর কাব্যতত্ত্বে ভাষা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার সূত্রপাত করেছেন অ্যারিস্টটল। যা আজকের পাঠকের কাছে তত মূল্যবান নয়, কারণ তা গড়ে উঠেছে গ্ৰীক ভাষাকে কেন্দ্র করে।অ্যারিস্টটল এর মতে রচনার গুণ স্পষ্টতা কিন্তু বৈশিষ্ট্যহীনতা নয়। আবার স্পষ্টতা আসে যে প্রচলিত শব্দ ব্যবহারে, তা বৈচিত্র্যহীনতাই প্রসব করে। এই কারণে অ্যারিস্টটল মিশ্র রচনারীতি গ্ৰহনের পক্ষে, যা একই সঙ্গে রচনাকে দেবে স্পষ্টতা ও বিশিষ্টতা ।

8 of 9

Spectacle:

দৃশ্যসজ্জা ( Spectacle) : দৃশ্য ট্রাজেডির একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলেও তার আলোচনা সাহিত্য আলোচনার আওতায় পড়ে না বলে তিনি এর গুরুত্ব স্বীকার করেও এর আলোচনায় অগ্ৰসর হননি। দৃশ্যকে তিনি বলেছেন - "Connected least with the art of poetry --------- the production of spectacular effects depends more on the art of the stage machinist than on that of poet." সুতরাং দৃশ্যসজ্জা দ্বারাই যে নাটকে রস উদ্রেকের চেষ্টা করা হয় তার শৈল্পিক মূল্য অবশ্যই কম, একথা আমাদের স্বীকার করে নিতে হবে।

9 of 9

MELODY:

সংগীত ( Melody) : সংগীতকে অ্যারিস্টটল অন্যান্য উপাদানের মধ্যে সবচেয়ে প্রীতিকর উপাদান বলে মনে করছেন। তবে কাব্যশিল্পের সঙ্গে সম্পর্ক নেই বলে এর বিস্তৃত আলোচনায় অগ্ৰসর হননি।