Published using Google Docs
Salawat on Prophet ﷺ
Updated automatically every 5 minutes

সাইয়্যিদিনা রসুলুল্লাহ এর জন্য সালাওয়াত

Salawat Nuraniyyah / Salawat Badawi Kubra

সালাওয়াত নুরানিয়্যাহ / সালাওয়াত বাদাওয়ি কুবরা

اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَباَرِكْ عَلىَ سَيِّدِناَ وَمَوْلاَناَ مُحَمَّدٍ شَجَرَةِ اْلاَصْلِ النُّوْرَانِيَّةِ، وَلَمْعَةِ الْقَبْضَةِ الرَّحْمَانِيَّةِ، وَأَفْضَلِ الْخَلِيْقَةِ اْلاِنْسَانِيَّةِ، وَأَشْرَفِ الصُّوْرَةِ الْجِسْمَانِيَّةِ، وَمَعْدِنِ اْلاَسْرَارِ الرَبَّانيِّةِ، وَخَزَائِنِ الْعُلُوْمِ اْلاِصْطِفَائِيَّةِ، صَاحِبِ الْقَبْضَةِ اْلاَصْلِيَّةِ، وَالْبَهْجَةِ السَّنِيَّةِ، وَالرُّتْبَةِ الْعَلِيَّةِ، مَنِ انْدَرَجَتِ النَّبِيُّوْنَ تَحْتَ لِوَائِهِ، فَهُمْ مِنْهُ وَاِلَيْهِ، وَصَلِّ وَسَلِّمْ وَباَرِكْ عَلَيْهِ وَعَلىَ آلِهِ وَصَحْبِهِ عَدَدَ مَاخَلَقْتَ، وَرَزَقْتَ وَأَمَتَّ وَأَحْييْتَ اِلَى يَوْمِ تَبْعَثُ مَنْ أَفْنَيْتَ، وَسَلِّمْ تَسْلِيْماً كَثِيْراً وَالْحَمْدُ ِللهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ.

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বা-রিক ’আলা- সাইয়্যিদিনা- ওয়া মাওলানা- মুহাম্মাদিন শাজারাতিল আস্বলিন নু-রা-নিয়্যাতি ওয়া লাম’আতিল ক্ববদ্বাতির রহ্বমা-নিয়্যাতি ওয়া আফদ্বালিল খলি-ক্বাতিল ইনসা-নিয়্যাতি ওয়া আশরাফিস স্বু-রাতিল জিসমানিয়্যাতি ওয়া মা’অ্দিনিল আসরা-রির রব্বানিয়্যাতি ওয়া খাঝা-ইনিল ’উলু-মিল ইস্বত্বিফা-ইয়্যাতি, স্ব-হ্বিবিল ক্ববদ্বাতিল আস্বলিয়্যা, ওয়াল বাহজাতিস সানিয়্যা, ওয়ার রুতবাতিল ’আলিয়্যাহ্, মানিন দারাজাতিন নাবিয়্যু-না- তাহ্বতা লিওয়া-ইহি, ফাহুম মিনহু ওয়া ইলাইহি, ওয়া স্বল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বা-রিক ’আলাইহি ওয়া ’আলা- আ-লিহি ওয়া স্বহ্ববিহি ’আদাদা মা- খলাক্বতা ওয়া রঝাক্বতা ওয়া আমাত্তা ওয়া আহইয়াইতা ইলা- ইয়াওমি তাব’আথু মান আফনাইতা, ওয়া সাল্লিম তাসলি-মান কাথিরান ওয়াল হ্বামদুলিল্লা-হি রব্বিল ’আ-লামি-ন।

মুহাম্মদ আল-তালমায়সানী দালাইল আল-খায়রাত ১০০,০০০ বার সম্পন্ন করার পরে  নবীকে () স্বপ্নে দেখেছিলেন, “হে মুহাম্মাদ আল-তালমায়সানী! তুমি যদি আহমাদ আল-বাদাবীর সালাওয়াত আল নুরানিয়্যাহ পড় তাহলে যেন তুমি দালাইল আল-খায়রাত ৮০০,০০০ বার সমাপ্ত করেছ!"

হে আল্লাহ! আমাদের অভিভাবক ও নেতা মুহাম্মদ ﷺ, প্রকৃত নুরের বৃক্ষ, ঐশী রহমতের ঝলক, সমগ্র মানবজাতির মধ্যে মহোত্তম, শারীরিক আকৃতির মধ্যে শ্রেষ্ঠতম, ঐশী রহস্যের আধার এবং নির্বাচিত বিজ্ঞানের ধারক, আসল ঐশী উপলব্ধির অধিকারী, দ্যুতিময় করুণা ও উচ্চতম মর্যাদাপ্রাপ্ত, যার পতাকার নীচে সকল নবিকে (আ.) সজ্জিত করা হবে, যাতে তারা তাঁর অন্তর্ভুক্ত হন ও তাকে মহিমান্বিত করেন। (হে আল্লাহ) আপনি তাঁকে (ﷺ) ও তাঁর পরিবার ও সাহাবায়ে কেরামকে কল্যাণ ও প্রশান্তি দান করুন ও পবিত্র করুন, তত পরিমাণে যত সংখ্যায় আপনি সৃষ্টি করেছেন, স্থায়ী করেছেন, মৃত্যু দিয়েছেন এবং যতজনকে পুনরায় জীবন দেবেন, সেদিন তাদের পুনরুত্থিত করবেন যাদেরকে ধূলায় পরিণত করেছেন;  এবং তাঁকে জানান সুপ্রচুর ও অন্তহীন অভিবাদন। সমস্ত প্রশংসা ও গৌরব বিশ্ব-পালনকর্তা আল্লাহরই!

Salawat Al-Fatih / The Salutation of the Victor

সালাওয়াত আল ফাতিহ/ বিজয়ীর অভিবাদন

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ اَلْفَاتِحِ لِمَا أُغْلِقَ وَ اَلْخَاتِمِ لِمَا سَبَقَ نَاصِرِ الْحَقِّ بَالْحَقَّ وَ الْهَادِي إلى صِرَاطِكَ الْمُسْتَقِيمِ وَ عَلَى آلِهِ حَقَّ قَدْرِهِ و مِقْدَارِهِ الْعَظِيم

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’লা- সাইয়্যিদিনা- মুহ্বাম্মাদিনিল্ ফা-তিহ্বি লিমা- উগলিক্ব ওয়াল খ-তিমি লিমা- সাবাক্ব না-স্বিরিল হ্বাক্বকি বিল হ্বাক্ব ওয়াল হা-দি- ইলা- স্বিরা-ত্বিকাল্ মুসতাক্বি-ম্ ওয়া ’লা- আ-লিহি হ্বাক্বকা ক্বদরিহি ওয়া মিক্বদা-রিহিল্ আজ্বি-ম।

পণ্ডিত-বিদ্বানগণ বলেছেন, আপনি যদি এটি একবার পাঠ করেন, এর অর্থ হলো, যেন আপনি দালায়েল আল খায়রাত ৬০০,০০০ বার পড়েছেন! অন্যরা বলেছেন, যেন আপনি সাইয়্যিদিনা আদম (আ.) থেকে শুরু করে কেয়ামত পর্যন্ত সকল মানুষের সমান সংখ্যক বার সালাওয়াত পড়েছেন, সালাত আল ফাতিহ’র এত মূল্য!

হে আল্লাহ! আমাদের অভিভাবক মুহাম্মদ (ﷺ) কে কল্যাণ দান করুন। তিনি, যা বন্ধ ছিল উন্মুক্ত করেছেন এবং (তিনি হচ্ছেন) পূর্ববর্তীদের সাক্ষী ও মোহর। তিনি সত্যকে সত্যের মাধ্যমেই বিজয়ী করেছেন, আপনার সরল পথের পথনির্দেশক এবং তাঁর পরিবারবর্গকে তাঁর অপরিসীম অবস্থান এবং মহিমা অনুসারে নিয়ামত ও কল্যাণ দান করুন।

Salatu Munajiyyah

সলাত আল মুনাজ্জিয়া/তুনজিনা/তুনাজ্জিনা

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ صَلاَةً تُنْجِينَا بِهَا مِنْ جَمِيعِ اْلاَحْوَالِ وَاْلآفَاتِ وَتَقْضِى لَنَا بِهَامِنْ جَمِيعَ الْحَاجَاتِ وَتُطَهِّرُنَا بِهَا مِنْ جَمِيعِ السَّيِّئَاتِ وَتَرْفَعُنَا بِهَا عِنْدَكَ اَعْلَى الدَّرَجَاتِ.وَتُبَلِّغُنَا بِهَا اَقْصَى الْغَايَاتِ مِنْ جَمِيعِ الْخَيْرَاتِ فِى الْحَيَاتِ وَبَعْدَ الْمَمَاتِ.

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিন স্বলা-তান তুনজি-না- বিহা- মিন জামি-’ইল আহ্বওয়া-লি ওয়াল আফা-ত্ , ওয়া তাক্বদি- লানা- বিহা- মিন জামি-’ইল্ হা-জা-তি, ওয়া তুত্বাহহিরুনা- বিহা- মিন জামি-’ইস্ সাইয়্যিআ-ত্, ওয়া তারফা’উনা- বিহা- ’ইনদাকা ’আ’অ্লা-দ্ দারাজা-ত্, ওয়া তুবাল্লিগুনা- বিহা- আক্বস-ল্ গ-য়া-ত্, মিন জামি-’ইল খইর-তি ফি-ল্ হায়া-ত্ ওয়া বা’দাল্ মামা-ত্।

হে আল্লাহ! আমাদের নেতা মুহাম্মদ (ﷺ) কে আশীর্বাদ (সালাত) প্রেরণ করুন ও উচ্চ মর্যাদায় সমুন্নত করুন, যা (সালাত) আমাদের সকল ভীতি থেকে উদ্ধার করে। এবং তাদের মাধ্যমে আমাদের সকল প্রয়োজন পূর্ণ করুন ও সকল গুণাহ থেকে পরিশুদ্ধ করুন, এবং তাদের মাধ্যমে আমাদের উচ্চতর সম্মানে আসীন করুন এবং তাদের মাধ্যমে এই জীবনে ও মৃত্যুর পরে যা কল্যাণকর তা সর্বোচ্চ মাত্রায় অর্জন করতে সহায়তা করুন।

মাওলানা শেখ হিশাম কাব্বানি قدس سرّه বলেন, মাওলানা শেখ নাজিম قدس سرّه সালাত আল তুনজিনা প্রতিদিন পড়ার বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্ব আরোপ করতেন। মাশায়েখগণ প্রতিদিন অন্তত দশবার পড়ার কথা বলেন।

Salawaat of Sayyidina Ali

সাইয়্যিদিনা আলি কাররামাল্লাহু ওয়াজহু-এর সালাওয়াত

صَلَواتُ اللهِ تَعَالَى وَمَلَائِكَتِهِ وَأَنْبِيَائِهِ وَرُسُلِهِ وَجَمِيعِ خَلْقِهِ عَلَى مُحَمِّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، عَلْيِهِ وَعَلْيِهِمُ اْلْسَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللهِ تَعَالَى وَبَرَكَاتُهُ.

স্বলাওয়াতুল্লা-হি তা’আ-লা- ওয়া মালা-ইকাতিহি ওয়া আম্বিয়া-ইহি ওয়া রুসুলিহি ওয়া জামি’ই খলক্বিহি ’আলা- মুহাম্মাদিন ওয়া ’আলা আ-লি মুহাম্মাদিন, ’আলাইহি ওয়া ’আলাইহিমুস সালা-মু ওয়া রহ্বমাতুল্লা-হি তা’আ-লা- ওয়া বারাকা-তুহু।

সায়্যিদিনা ’আলি কাররামাল্লাহু ওয়াজহু বলেছেন, “যদি আপনি এই বিশেষ সালাওয়াতটি তিনবার পড়েন প্রতিদিন এবং শুক্রবার একশবার, তাহলে যেন আপনি সমস্ত সৃষ্টিকুল, মানুষ, জ্বিন, ফেরেশতা এবং যা কিছু সায়্যিদিনা মুহাম্মাদ (ﷺ) এর উপর সালাওয়াত পড়ে তাদের সবার সমপরিমাণ পড়েছেন। এবং নবি (ﷺ) নিজ হাতে আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যাবেন।”

আল্লাহর ও তার ফেরেশতাগণ, নবি-রসুলগণ এবং সকল সৃষ্টির সমস্ত কল্যাণ প্রার্থনা মুহাম্মাদ (ﷺ), ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর। সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে সালাম, করুণা ও আশীর্বাদ প্রেরণ করুন।

Sayyid as-Salawaat (The Master of Salawaats)

সাইয়্যিদ আস্ সালাওয়াত (প্রধান সালাওয়াত)

عَلَى أَشْرَفِ الْعَالَمِينَ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الْصَلَوَات

عَلَى أَفْضَلِ الْعالَمينَ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الصَلَوَات

عَلَى أَكْمَلِ الْعالَمينَ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الصَلَوَات

صَلَوَاتُ اللهِ تَعَالَى وَمَلَائِكَتِهِ وَأَنْبِيَائِهِ وَرُسُلِهِ وًجَمِيعِ خَلْقِهِ عَلَى مُحَمِّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، عَلْيِهِ وَعَلْيِهِمُ الْسَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللهِ تَعَالَى وَبَرَكَاتُهُ . وَرَضِىَ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى عَنْ سَادَاتِنا أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ أَجْمَعِين وَعَنِ الْتَّابِعِينَ بِهِم بِإحْسَانٍ وَعَنِ الْأئِمَّةِ الْمُجْتَهِدِينَ الْمَاضِين وَعَنِ الْعُلَمَاءِ الْمُتَّقِينَ وَعَنِ الْأوْلِيَاءِ الْصَالِحِينَ وَعَنْ مَشَايخِنَا فِي الْطَرِيقَةِ الْنَقْشْبَنْدِيّةِ الْعَلِيّةِ، قَدَّسَ اللهُ تَعَالَى أَرْوَاحَهُمُ الْزَكِيَّةَ وَنَوَّر اللهُ تَعَالَى أَضْرِحَتَهُمُ الْمُبَارَكَةَ وَأعَادَ اللهُ تَعَالَى عَلْيْنَا مِن بَرَكَاتِهِم وَفُيُوضَاتِهِم دَائِمًا وَالْحَمدُ للهِ رًّبِّ الْعَالَمِين

’আলা- আশরাফিল্ ’আ-লামি-না সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিন সলাওয়া-ত্ (ﷺ)

’আলা-আফদ্বালিল্  ’আ-লামি-না সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিন সলাওয়া-ত্ (ﷺ)

’আলা- আকমালিল্ ’আ-লামি-না সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিন সলাওয়া-ত্ (ﷺ)

সলাওয়াতুল্লা-হি তা’আ-লা- ওয়া মালা-ইকাতিহি ওয়া আম্বিয়া-ইহি ওয়া রুসুলিহি ওয়া জামি-’ই খলক্বিহি ’আলা- মুহাম্মাদিন ওয়া আলা- আ-লি মুহাম্মাদিন, ’আলাইহি ওয়া ’আলাইহিমুস্ সালা-মু ওয়া রহমাতুল্লা-হি তা’আ-লা- ওয়া বারাকা-তুহু। ওয়া রদ্বিয়াল্লা-হু তাবা-রাকা ওয়া তা’আ-লা- ’আন্ সা-দা-তিনা- আসহ্বা-বি রসু-লিল্লা-হি আজমা’ই-ন্। ওয়া ’আনিত্ তা-বি’ই-না বিহিম বিইহ্বসা-নিন্ ওয়া ’আনিল্ আইম্মাতিল্ মুজতাহিদি-নাল্ মা-দ্বি-ন্, ওয়া ’আনিল্ ’উলামা-ইল্ মুত্তাক্বি-ন্, ওয়া ’আনিল্ আউলিয়া-ইস্ স্ব-লিহ্বি-ন্,ওয়া ’আন্ মাশা-য়িখিনা- ফি-ত্ ত্বরি-ক্বাতিন্ নকশবান্দিয়্যাতিল্ আলিয়্যাহ্, ক্বদ্দাসাল্লাহু তা’আ-লা- আরওয়া-হা হুমুজ্ ঝাকিয়্যাহ্, ওয়া নাও্ওয়ারা আল্লাহু তা’আ-লা-, আদ্বরি হ্বাতাহুমুল মুবা-রাকাহ্, ওয়া আ’আ-দা আল্লাহু তা’আ-লা- ‘আলাইনা- মিন্ বারাকা-তিহিম ওয়া ফুয়ু-দ্বা-তিহিম্ দা-ইমান্ ওয়াল্ হ্বামদুলিল্লা-হি রব্বিল ’আ-লামি-ন্।

সাইয়্যিদিনা আলি কাররামাল্লাহু ওয়াজহুর সালাওয়াতের সংযোজন হিসাবে মাওলানা শেখ শরাফউদ্দিন আদ-দাগেস্তানি قدس سرّه, নকশবান্দি আলিয়া সুফিধারার ৩৮তম গ্র্যান্ডশেখ, এর এক আধ্যাত্মদর্শন অনুসারে তাকে আমাদের নবি সাইয়্যদিনা মুহাম্মাদ (ﷺ) এই সালওয়াত প্রদান করেছিলেন। মাওলানা শেখ শরাফউদ্দিন বলেছেন যে, “যদি পুরো সৃষ্টিকুল চব্বিশ ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে ও সারা জীবন সালাওয়াত পড়তে থাকে তাদের সমস্ত সালওয়াত একত্রিত করলেও আপনার জীবদ্দশায় একবার এই সালওয়াতের পাঠ ওজনে বেশি ভারী হবে!”

সমস্ত সৃষ্টিকুলের সর্বশ্রেষ্ঠ, আমাদের অভিভাবক মুহাম্মদ (ﷺ), এর উপর কল্যাণ বর্ষিত হোক।

সমস্ত সৃষ্টিকুলের সবচেয়ে প্রিয়তম, আমাদের অভিভাবক মুহাম্মদ (ﷺ), এর উপর কল্যাণ বর্ষিত হোক।

সমস্ত সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বোপরি নিখুঁত, আমাদের অভিভাবক মুহাম্মদ (ﷺ), এর উপর কল্যাণ বর্ষিত হোক।

আল্লাহর ও তার ফেরেশতাগণ, নবি-রসুলগণ এবং সকল সৃষ্টির সমস্ত কল্যাণ প্রার্থনা মুহাম্মাদ (ﷺ), ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর। সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে প্রশান্তি, করুণা ও আশীর্বাদ প্রেরণ করুন। আল্লাহ, যিনি মহান ও সর্বোচ্চ, আমাদের প্রত্যেক পথপ্রদর্শক, রসুলুল্লাহ (ﷺ) এর প্রত্যেক সাহাবি, যারা তাঁদের অনুসরণে শ্রেষ্ঠ (তাবেয়িগণ), এবং প্রথম দিকের মুজতাহিদ ইমামগণ, মুত্তাকি পণ্ডিতগণ, সত্যনিষ্ঠ সন্তগণ/আউলিয়া, এবং নকশবান্দিয়্যাতুল আলিয়া সুফিধারার আমাদের শিক্ষকদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকুন। আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা’আলা তাদের পরিশুদ্ধ আত্মা পবিত্র করুন এবং তাদের আশীর্বাদযুক্ত কবর আলোকিত করুন। আল্লাহ আমাদের সর্বদা দান করুন তাদের আশীর্বাদ এবং উপচে পড়া অনুগ্রহ। সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহর জন্যই। আল-ফাতিহা।

Salaat al-`Aali al-Qadr

সালাত আল ’লি আল্ ক্বদর

اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكَ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الْنَّبِيِّ الْأُمِّيِّ الْحَبِيبِ الْعَالِي الْقَدْرِ الْعَظِيمِ الْجَاهِ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلِّمْ

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বা-রিক ’লা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিনিন্ নাবিয়্যিল উম্মিয়্যিল্ হ্বাবি-বিল্ ’লিল্ ক্বদরিল্ ’আজ্বি-মিল্ জা-হি ওয়া ’লা- আ-লিহি ওয়া স্বহ্ববিহি ওয়া সাল্লিম।

মাওলানা শেখ হিশাম কাব্বানি (قدس سرّه) এবং অন্য অনেক আউলিয়াল্লাহ আল আল্লামা আস সাওয়ি রচিত শারহ্ সলাওয়াত আদ-দারদির থেকে বলেছেন, এই সালাওয়াতের আবৃত্তি ভীতি দূর করবে ও কবরে প্রশান্তি দেবে। এটি জেরাকারি দুই ফেরেশতা মুনকার ও নাকিরের ভীতি দূর করে দেয়। এটি উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতি শুক্রবার যে একবার এই সালাওয়াত পড়বে, তার মৃত্যুর পর নবি (ﷺ) তার সঙ্গে তার কবরস্থানে যাবেন এবং তাঁর (ﷺ) বরকতময় হাতে তাকে কবরস্থ করবেন।

অসংখ্য আউলিয়াউল্লাহ বলেছেন, “যে ব্যক্তি এটি শুক্রবার বা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরেও একবারে পড়ে, আল্লাহ তার আত্মাকে সমস্ত আত্মার আদর্শ হিসাবে দেখার অনুমতি দেবেন,” যখন তার আত্মা দেহ ত্যাগ করছে কেবল তখনই নয়, তাকে যখন কবরে নিয়ে যাওয়া হবে তখনও, যতক্ষণ না সে নবি (ﷺ) কে দেখে সেই কবরে তিনি (ﷺ) তার যত্ন নিচ্ছেন।

আউলিয়াউল্লাহগণ বলেন, সালাত আল্ ’আলি আল্ ক্বদর প্রতিদিন দশবার এবং জুমুআর রাতে একবার পড়ার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক হলে তা খাইর আল-জাসিম আনবে, অর্থাৎ এ থেকে অগণিত কল্যাণ আসবে। এছাড়াও, ফাত আর-রসুল বইতে বলা হয়েছে যে, ইশার পরে দশবার এটি পড়লে পাঠকারী এমনভাবে পুরস্কৃত হবে যেন সারারাত সে দুরুদশরিফটি পাঠ করেছে।

হে আল্লাহ, আমাদের অভিভাবক মুহাম্মদ (ﷺ)-কে যিনি উম্মি নবি, সবচাইতে প্রিয়জন এবং সুপ্রচুর মর্যাদার অধিকারী, তাকে, তাঁর পরিবার ও সাহাবাগণকে, সলাত, সবিশেষ কল্যাণ এবং প্রশান্তি দান করুন।

Jawharat al-Kamal (The Jewel of Perfection) (7 times daily)

সালাওয়াত জওহরাত আল-কামাল (পরিপূর্ণতার রত্ন) (প্রতিদিন ৭ বার)

اَللَّهُـمَّ صَـلِّ وَسَلِّـمْ عَـلَى عَيْـنِ الـرَّحْـمَـةِ الرَّبَّــانِـيَـةِ وَاليَاقُـوتَـةِ المُتَـحَقِّـقَـةِ الحَـائِطَةِ بِمَـرْكَزِ الفُـهُومِ والمَعَـانِي، وَنُـورِ الأَكْـوَانِ المُتَـكَوِّنَـةِ الآدَمِـي صَـاحِبِ الحَـقِّ الـرَّبَّانِي، البَرْقِ الأَسْطَعِ بِمُزُونِ الأَرْبَاحِ المَالِئَةِ لِكُلِّ مُتَعَرِّضٍ مِنَ البُحُورِ وَالأَوَانِي، وَنُـورِكَ اللاَّمِعِ الـذِي مَـلأْتَ بِهِ كَوْنَكَ الحَـائِطِ بِأَمْكِنَةِ المَـكَانِي،

اَللَّهُـمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى عَيْنِ الحَقِّ التِي تَتَجَلَّى مِنْهَا عُرُوشُ الحَقَـائِقِ عَيْــنِ المَـعَارِفِ الأَقْـوَمِ صِـرَاطِـكَ التَّـــامِّ الأَسْـقَــمِ، اللَّهُـمَّ صَـلِّ وَسَلِّـمْ عَلَى طَلْعَةِ الحَـقِّ بَالحَـقِّ الكَـنْزِ الأَعْـظَمِ إِفَـاضَتِـكَ مِنْـكَ إِلَيْــكَ إِحَـاطَـةِ النُّـورِ المُطَــلْسَــمِ صَلَّـى اللهُ عَلَيْـهِ وَعَـلَى آلِـهِ، صَـلاَةً تُعَرِّفُنَـا بِـهَا إِيَّـــاهُ

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ওয়া সাল্লিম ’আলা- ’আইনির্ রহ্বমাতির্ রাব্বা-নিয়্যাতি ওয়াল ইয়া-ক্বু-তাতিল্ মুতাহ্বাক্বকিক্বাতিল্ হা-ইত্বাতি বিমারকাঝিল্ ফুহু-মি ওয়াল মা’আ-নি-। ওয়া নু-রিল আকওয়া-নিল মুতাক্বাও্ওয়িনাতিল আ-দামি- স্ব-হ্বিবিল হ্বাক্বকির রব্বা-নি-, আল বারক্বিল আসত্বা’য়ি বিমুঝু-নিল আরবা-হ্বিল মা-লিআতি লি কুল্লি মুতা’আররিদ্বিম্ মিনাল বুহ্বু-রি ওয়াল আওয়া-নি-। ওয়া নু-রিকাল লামি’ইল্ লাযি- মা-লা’তা বিহি কাওনাকাল হা-ইত্বি বি-আমকিনাতিল মাকা-নি- ।

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ওয়া সাল্লিম ’আলা- ’আইনিল হ্বাক্বকি আল্লাতি তাতাজাল্লা মিনহা- উরু-শুল হ্বাক্বা-ইক্বি ’আইনিল মাআ-রিফিল আক্বওয়াম স্বিরা-ত্বিকাত্ তা-ম্মিল্ আসক্বাম। আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ওয়া সাল্লিম ’আলা- ত্বল’আতিল্ হ্বাক্বকি বিল হ্বাক্বিকিল্ কানঝিল্ আ’অ্জ্বামি ইফা-দ্বাতিকা মিনকা ইলাইকা ইহ্বা-ত্বতিন নু-রিল্ মুত্বালসাম। স্বল্লাল্লা-হু ’আলাইহি ওয়া ’আলা- আ-লিহি স্বলা-তান তু’আররিফুনা- বিহা- ইয়্যা-হু।

আপনি যদি এই সালাওয়াত দিনে সাতবার বা তার বেশি বার পড়েন তবে ইউহ্বিব্বাহু মাহ্বাব্বাতান খ-সসাহ ওয়া লা- ইয়ামু-তু ইল্লা ওয়ালিয়ান, নবি ﷺ আপনাকে বিশেষভাবে ভালবাসবেন এবং আপনি ওয়ালি না হয়ে দুনিয়া ছাড়বেন না। এই সালাওয়াতে রসুল ﷺ এর সর্বোচ্চ সম্মানিত নাম আছে, তাই আল্লাহ তাঁর আউয়াউল্লাহর জন্য [রুহানিয়্যাত] উন্মোচন করার সাথে সাথেই তার জন্য তা উন্মুক্ত হয়ে যাবে!

হে আল্লাহ, আশীর্বাদ করুন ও প্রশান্তি পাঠান ঐশী করুণার নির্যাসকে, সমস্ত অনুধাবন ও সত্যর্থের কেন্দ্র সে সম্পন্ন চুণি, সমস্ত সৃষ্ট মহাবিশ্বের নুর, ঐশী সত্যের অধিকারী আদম-সন্তান; প্রাপ্তির বর্ষণসম্ভবা-মেঘে সমস্ত-ব্যাপ্ত বিদ্যুৎ যা মধ্যবর্তী সমুদ্রমণ্ডলী ও সকল আধারকে ভরে দেয়; আপনার দীপ্ত নুর, যা দিয়ে আপনি নিজের সৃষ্টিকে পূর্ণ করেছেন আর সম্ভব সকল স্থানকে যা ঘিরে আছে। হে আল্লাহ, কল্যাণস্নাত করুন, বর্ষণ করুন শান্তি তার প্রতি যিনি সত্যের সার, যার থেকে উদ্ভাসিত হয় সত্যের সিংহাসন, সবচেয়ে সত্যনিষ্ঠ জ্ঞানের মূল, আপনার সম্পূর্ণ ও সরলতম পথ। হে আল্লাহ, সত্যের আগমনকে সত্য দ্বারা আশির্বাদ করুন ও সম্ভাষণ জানান; যিনি মহাসম্পদ, আপনার অবারিত ধারা আপনার প্রতি ও আপনার থেকে; মঙ্গলময় আলোর বেষ্টন। তাকে (ﷺ) এবং তাঁর আহলে বায়তকে আল্লাহ সালাত প্রেরণ করুন, সালাত, যা তাঁর বিষয়ে জ্ঞানে উপনীত করে আমাদের।

As-Salatun-Naariyah (As-Salat u'l Tafreejiyyah)

আস্ সালাতুন্ নারিয়াহ (আস্ সালাতুল তাফরিজিয়্যাহ)

اللَّهُمَّ صَلِّ صَلاَةً كَامِلَةً وَسَلِّمْ سَلاَماً تَامًّا عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الَّذِي تَنْحَلُّ بِهِ الْعُقَدُ وَتَنْفَرِجُ بِهِ الْكُرَبُ وَتُقْضَى بِهِ الْحَوَائِجُ وَتُنَالُ بِهِ الرَّغَائِبُ وَحُسْنُ الْخَوَاتِمِ وَيُسْتَسْقَى الْغَمَامُ بِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ وَعَلى آلِهِ وَصَحْبِهِ فِي كُلِّ لَمْحَةٍ وَنَفَسٍ بِعَدَدِ كُلِّ مَعْلُومٍ لَكَ.

আল্লা-হুম্মা সল্লি স্বলা-তান কা-মিলাতান ওয়া সাল্লিম সালা-মান তা-ম্মান ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিনিল্ লাযি- তানহ্বাল্লু বিহিল্ উক্বাদু ওয়া তানফারিজু বিহিল্ কুরাবু ওয়া তুক্বদ্বা- বিহিল্ হ্বাওয়া-ইজু ওয়া তুনা-লু বিহির্ রগা-ইবু ওয়া হুসনুল খওয়া-তিমি ওয়া ইউসতাসক্বাল গমা-মু বি ওয়াজহিহিল্ কারি-ম। ওয়া ’আলা- আ-লিহি ওয়া স্বহ্ববিহি ফি- কুল্লি লামহাতিন ওয়া নাফাসিম বি’আদাদি কুল্লি মা’অ্লু-মিন লাকা।

হে আল্লাহ, আমাদের অভিভাবক মুহাম্মদ ﷺ এর উপর পরিপূর্ণ কল্যাণ এবং শান্তির শুভেচ্ছা প্রেরণ করুন— যার দ্বারা সমস্যাগুলি সমাধান হয়ে যায়; উদ্বেগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়; প্রয়োজন মেটে; আকাঙ্ক্ষা অর্জিত হয়; ভাল পরিণতি প্রাপ্ত হয়; যার সম্ভ্রান্ত মুখদর্শনে মেঘ বৃষ্টি দেয়— তার পরিবার ও সাহাবাগণের প্রতি [কল্যাণ ও শান্তির শুভেচ্ছা প্রেরণ করুন], প্রতিটি দৃষ্টিপাত ও প্রতিটি শ্বাসের সমান, সমস্ত কিছুর সংখ্যার সমান যা আপনার জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত।

এই সালাওয়াতটি কানয উল আসরা-র থেকে এসেছে এবং এর পাঠে সপ্তাকাশ খোলে; এটি ইমাম সানুসী, সিদি ওমর মুখতার, সিদি ইবনে হাজার আল-আসক্বালানি এবং ইমাম আল ক্বুরতুবির মতো উচ্চস্তরের ওয়ালিয়াদের দ্বারা পরীক্ষিত। এ সালাওয়াতটি মরোক্কোতে বহুলপঠিত বা চর্চিত। যদি কোনও বিপর্যয়, সঙ্কট বা বিপদ আসে, তখন আহলুল খায়ের (সদাচারী) ও সুফিগণ একত্রিত হয়ে ৪,৪৪৪ বার পাঠ করে নবি করিম ﷺ এর মাধ্যমে তাওয়াসসুল করেন, আল্লাহর ইচ্ছায় সুরক্ষা আসবে।

Salawat Imam Shafi`i

সালাওয়াত ইমাম শাফেয়ি

اللَّهُمَّ صَلَّى عَلَى مُحَمَّدٍ عَدَدَ مَا ذَكَرَهُ الذَّاكِرُونَ وَغَفَلَ عَنْ ذِكْرِهِ الْغَافِلونَ

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- মুহাম্মাদিন্ ’আদাদা মা- যাকারাহুয্ যা-কিরু-ন ওয়া গফালা ’আন্ যিকরিহিল্ গ-ফিলু-ন।

আবদুল্লাহ আল-হাকাম বলেছেন: “আমি ইমাম আশ-শাফেয়িকে আমার স্বপ্নে দেখলাম এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আল্লাহ আপনার সঙ্গে কেমন আচরণ করেছেন?’ এবং উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘তিনি আমার প্রতি তাঁর অবারিত রহমত ঢেলে দিয়েছেন, তিনি আমাকে ক্ষমা করেছেন এবং জান্নাতকে সাজিয়েছেন আমার জন্য। সমস্ত অলঙ্কার এবং সাজসজ্জায় সজ্জিত হয়ে বিয়ের কনে যেমন বরের কাছে উপস্থিত হয়, জান্নাত আমার সামনে সেভাবে উপস্থিত হয়েছিল। ফেরেশতারা আমাকে বেহেশতি অলঙ্কারে স্নান করিয়েছে যেমন দুনিয়াতে বর ও কনের উপরে (গোলাপের পাপড়ি) ছিটানো হয়।’ আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আপনি কিভাবে এই স্তরটি অর্জন করেছেন, আপনি কী করেছেন?’ ইমাম শাফিয়ি বললেন, ‘কেউ আমাকে একটি নির্দিষ্ট সালাওয়াত তিলাওয়াত করতে বলেছিল, যা আমি করতাম।’” বিনা প্রশ্নে জান্নাতে প্রবেশের জন্য এই সালাওয়াতটি পড়ুন:

হে আল্লাহ! মুহাম্মদ ﷺ কে যখনই স্মরণ করা হয় তখন তাঁর প্রতি অনুগ্রহ ও কল্যাণ দান করুন এবং যখন মুহাম্মাদ ﷺ কে স্মরণ করা হয় না তখনও আপনার অনুগ্রহ ও বরকত দান করুন।

Grand Shaykh `Abdullah Daghestani's Salawat (100 times daily)

গ্র্যান্ডশেখ আবদুল্লাহ দাগেস্তানির সালাওয়াত (প্রতিদিন ১০০ বার)

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ وَسَلِّم

আল্লা-হুম্মা  স্বল্লি ’আলা- মুহাম্মাদিন ওয়া ’আলা- আ-লি মুহাম্মাদিন ওয়া সাল্লিম।

গ্র্যান্ডশেখ قدس سرّه বলেছিলেন যে, আপনি যদি আপনার প্রতিদিনের আওরাদের অংশ হিসাবে দালাইল আল-খায়রাত পাঠ করতে না পরেন, তবে এই সালাওয়াতটি ১০০ বার পাঠ করুন, যা রসুল (ﷺ) এর উপর সালাওয়াতের সহজতম ও সরলতম রূপ, কারণ এতে তাঁর রবের প্রতি নবি (ﷺ)-এর  নম্রতার পরিচয় পাওয়া যায়।

হে আল্লাহ! মুহাম্মদ ﷺ ও তার পরিবারের প্রতি কল্যাণ  ও সালাম প্রেরণ করুন।

Salawat al-Askandari

সালাওয়াত আল-আসকান্দারি

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ السَّابِقِ لِلْخَلْقِ نُورُهُ وَرَحْمَةً لِلْعَالَمينَ ظُهُورُهُ عَدَدَ مَنْ مَضَى مِنْ خَلْقِكَ وَمَنْ بَقِيَ وَمَنْ سَعِدَ مِنْهُم وَمَنْ شَقِيَ صَلَاةً تَسْتَغْرِقُ الْعَدَّ وَتُحِيطُ بِالْحَدِّ صَلَاةً لَا غَايَةَ لَهَا وَلَا إِنْتِهَاء وَلَا أَمَدَ لَهَا وَلَا اِنْقِضَاءَ صَلَاةً دَائِمَةً بِدَوَامِكَ بَاقِيةً بِبَقَائِكَ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلِّمْ تَسْلِيمًا مِثْلَ ذَلِكَ.

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ وَاَجْزِ مُحَمَّداً عَنَّا مَا هُوَ أَهْلُه ُاللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ عَدَدَ مَا عَلِمْتَ وَزِينَةَ مَا عَلِمْتَ و َمِلْءَ مَا عَلِمْتَ اللَّهُمَّ صَلِّ وَ سَلِّم وَ بَارِك عَلَى سَيِّدِنَا وَ مولَاناَ مُحَمَّدٍ وَ عَلَى كُلِّ نَبِيٍّ وَ عَلَى جِبرِيلَ وَ عَلَى كُلِّ مَلَكٍ وَ عَلَى اَبِي بَكْرٍ وَ عَلَى كُلِّ وَلِيٍّ

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিনিস্ সা-বিক্বি লিল্ খলক্বি নু-রুহু ওয়া রাহমাতান লিল ’আ-লামি-না জ্বুহু-রুহু ’আদাদা মাম্ মাদ্বা মিন খলক্বিকা ওয়া মাম্ বাক্বিয়া ওয়া মান সা’ইদা মিনহুম ওয়া মান শাক্বিয়া সলা-তান তাসতাগরিক্বুল ’আদ্দা ওয়া তুহ্বি-ত্বু বিল হাদ্দি স্বলা-তান লা- গ-ইয়াতা লাহা- ওয়া লা- ইনতিহা- ওয়া লা- আমাদা লাহা- ওয়া লা- ইনক্বিদ্বা-আ স্বলা-তান দা-ইমাতান বিদাওয়া-মিকা বা-ক্বিয়াতান বিবাক্বা-ইকা ওয়া ’আলা- আ-লিহি ওয়া স্বহ্ববিহি ওয়া সাল্লিম তাসলি-মান মিথলা যা-লিক।

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- মুহাম্মাদিন ওয়া ’আলা- আ-লি মুহাম্মাদ ওয়া আজঝি মুহাম্মাদান ’আন্না মা- হুয়া আহলুহু। আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- মুহাম্মাদিন ওয়া ’আলা- আ-লি মুহাম্মাদিন ’আদাদা মা- ’আলিমতা ওয়া ঝি-নাতা মা- ’আলিমতা ওয়া মিলআ মা- ’আলিমতা। আল্লা-হুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বা-রিক ’আলা- সাইয়্যিদিনা- ওয়া মাওলা-না- মুহাম্মাদিন ওয়া ’আলা- কুল্লি নাবিয়্যি- ওয়া ’আলা- জিবরি-লা ওয়া ’আলা- কুল্লি মালাকিন ওয়া ’আলা আবি বাক্বরিন ওয়া ’আলা- কুল্লি ওয়ালিয়্যিন।

একদিন জামালউদ্দিন ইবনে আলি আসকান্দারি নবিকে () স্বপ্নে দেখেছিলেন, যিনি তাকে বলেছিলেন, “ইয়া মুহাম্মাদ ইবনে আলি আল-আসকান্দারি! আমি তোমাকে কিছু শব্দ শিখিয়ে দেব যা তুমি পড়লে সমস্ত পুরস্কারসহ পুরো আওরাদ পড়েছ বলে গণ্য হবে! এটি দশবার পুনরাবৃত্তি করলে এমন হবে যেন তুমি সারা দিন এবং সারা রাত ধরে তোমার সম্পূর্ণ আওরাদ আবৃত্তি করেছ এবং তুমি ইতিমধ্যে যে আওরাদটি করেছ তার পাশাপাশি তুমি সে পুরস্কারের সুবিধা পাবে। আমার সঙ্গে পুনরাবৃত্তি কর,” এবং আমরা নবির () সঙ্গে মিলিয়ে (যেভাবে তিনি বলেছিলেন) বলছি।

As-Salat al-Kaamil

আস-লাত আল-কামিল (মাগরিব এবং ইশা এর মধ্যবর্তী সময়ে বিশেষত ভুলে যাওয়া দূর করতে এবং স্মৃতিশক্তি জোরদার করার জন্য)

اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ كَمَا لاَ نِهَايَةَ لِكَمَالِك َوَعَدَدَ كَمَالِه

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বারিক ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিন ওয়া ’আলা- আ-লিহি কামা- লা- নিহা-ইয়াতা লিকামা-লিকা ওয়া ’আদদা কামা-লিহ।

সর্বাধিক সম্মানিত সালওয়াত, যা আউলিয়াউল্লাহ বলেন এর একটি তিলাওয়াত ৭০,০০০ বার সালাওয়াতের সমান। শাফিয়ি মাযহাবের উলেমারা বলেন যে এ সালাওয়াতটির পাঠের পুরস্কার অশেষ কেননা “আল্লাহর উৎকর্ষেরও কোনও শেষ নেই! এটি মাগরিব এবং এশার সময়ের মধ্যে পড়া হয়, বিশেষত ভুলে যাওয়া দূর করতে এবং স্মৃতিশক্তি জোরদার করার জন্য।

হে আল্লাহ! নবি ﷺ ও তার পরিবারবর্গের উপর আপনার অশেষ উৎকর্ষের সমান সালাওয়াত, শান্তি ও  কল্যাণ বর্ষণ করুন !

Darood Shifaa to See Prophet  in a Dream (recite until you fall asleep)

দরূদ শিফা স্বপ্নে নবিকে (ﷺ) দেখার জন্য (ঘুমিয়ে পড়া পর্যন্ত আবৃত্তি করুন)

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى رُوحِ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ فِي الْأَرْوَاحِ وَعَلَى جَسَدِهِ فِي الْأَجْسَادِ وَعَلَى قَبْرِهِ فِي القُبُورِ وَعَلَى آلِهِِ وَصَحْبِهِ وَسَلِّمْ

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা রুহি সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদ ফি-ল আরওয়া-হ্বি ওয়া ’আলা জাসাদিহি ফি-ল আজসা-দি ওয়া ’আলা ক্ববরিহি ফি-ল ক্বুবু-রি ওয়া ’আলা আ-লিহি ওয়া স্বহবিহি ওয়া সাল্লিম।

ইমাম আশ্ শা’রানি বর্ণনা করেছেন, নবি (ﷺ) বলেছেন:

“যে এইভাবে সালাওয়াত পাঠ করবে সে আমাকে স্বপ্নে দেখবে, যে আমাকে স্বপ্নে দেখবে সে আমাকে হাশরের দিন দেখতে পাবে, হাশরের দিন যে আমাকে দেখবে আমি তার পক্ষে সুপারিশ করব, যার জন্য আমি সুপারিশ করব জান্নাতের হাউজ আল-কাওসার থেকে তাকে আমি পান করাব এবং যে আল কাওসার থেকে পান করবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।”

ইমাম আশ্ শা’রানি বলেছেন:

“আমি নিজেকে বলেছিলাম, ‘আমাকে অবশ্যই এই সালাওয়াত আবৃত্তি করতে হবে’ এবং আমি ঘুমানোর আগেই আবৃত্তি করেছিলাম এবং ঘুম না-হওয়া পর্যন্ত আবৃত্তি করতেই থাকলাম। আমি চাঁদের দিকে তাকালাম এবং নবিজির সম্মানিত মুখটি দেখতে পেলাম এবং তাঁর সঙ্গে কথা বললাম। তারপরে ‘গবা ফি-ল্ ক্বমার,’ আমি অনুভব করলাম যে তিনি অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত চাঁদেই আছেন। আমি আল্লাহর কাছে এই বলে দোয়া করলাম যে, ‘হে আল্লাহ এই সালাওয়াতের জন্য আপনি যে সমস্ত অনুগ্রহ দান করবেন, তা সাধারণ নিয়মে নয় বরং যা আপনার প্রিয়তম সায়্যিদিনা মুহাম্মাদকে (ﷺ) দিয়েছিলেন, যা আপনি প্রত্যেক মু’মিনকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা-ই আমাকে দান করুন।’ এবং আমি অনুভব করলাম যে, আমি তা পাচ্ছি।” (আফদাল আস-সালাওয়াত, পৃষ্ঠা: ৫৮)

হে আল্লাহ! সমস্ত রুহের মধ্যে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর রুহে এবং সমস্ত দেহের মধ্যে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর দেহে এবং সমস্ত কবরের মধ্যে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর কবরে আপনার নেয়ামতসমূহ বর্ষণ করুন এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবাদের উপরও। (দালাইল আল-খায়রাত, অধ্যায় ৩)

Salawat Dhatiyyah

সালাওয়াত যাতিয়াহ

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى الْذّاتِ الْمُطَلْسَمِ وَاْلْغَيْبِ الْمُطَمْطَمِ لاَهُوتِ الْجَمَالِ َناَسُوتِ اْلوِصَالِ طَلْعَةِ اْلْحَّقِّ كَنْزِ عَيْنِ اِنْسَانِ اْلأزَلِ فىِ نَشْرِ مَنْ لَمْ يَزَلْ فىِ قَابَ نَاسُوتِ اْلوِصَالِ اْلاَقْرَبِ. اَللَّهُمَّ صَلِّ بِهِ مِنْهُ فِيهِ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলায্ যা-তিল মুত্বালসাম ওয়াল গইবিল মুত্বামত্বাম লা- হু-তিল জামা-লি না-সু-তিল উয়িসা-ল ত্বল’আতিল হাক্বকি কানঝি ’আইনি ইনসা-নিল আঝালি ফি- নাশরি মান লাম ইয়াঝাল ফি- ক্ব-বা না-সু-তিল উয়িসা-লিল আক্বরাব। আল্লা-হুম্মা স্বল্লি বিহি মিনহু ফি-হি ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

আরবি ভাষা যে জানে, সে বুঝবে এই সালাত কত গভীর। আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলায্ যা-তিল মুত্বালসাম ওয়াল গইবিল মুত্বামত্বাম লা- হু-তিল জামা-লি।  এখানে এর অর্থ হলো রসুল ﷺ এর চেয়ে সুন্দর আর কেউ নেই, তিনিই এই বিশ্বজগতের সৌন্দর্য এবং তিনি বেহেশতেরও সৌন্দর্য। এখানে আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলা তাঁর যে সালাত ও প্রশংসা প্রেরণ করেন সে সম্পর্কে কেউ জানে না, কারণ তা গোপন এবং আপনি তা খুলতে ও ডিকোড করতে প্রয়োজনীয় যে গোপন কোডগুলি রয়েছে তা না জেনে এর বাস্তবতা অনুভব করতে পারবেন না। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার একটি আকরিক রুক্ষ হীরা থাকে তবে তা একটি বড় শিলা মাত্র, যাকে ভাঙতে হবে এবং রত্নটিতে পৌঁছানো পর্যন্ত আপনি এটিকে ভেঙে যাবেন; এবং এরপর আপনাকে তা সুন্দরভাবে কাটতে হবে এবং তারপরে পালিশ করতে হবে। তারপর যা-ত আল মুত্বালসামের উল্লেখ করেছেন তিনি, যে শাঁস বা নির্যাসটি আবৃত বা লুকানো আছে, যেটি কেউ খুলতে পারে না এবং আল-গাইব মুত্বামত্বাম, এমন এক অদেখা ‘গায়েব’ যার কাছে কেউ পৌঁছতে বা যার আলোচনা করতে পারে না। এ সালাওয়াতে এরপর আল লা-হু-ত আল জামা-ল এর উল্লেখ রয়েছে। ‘লা-হু-ত’ অর্থ যা পৃথিবীর অন্তর্ভুক্ত এবং ‘নাসূত’ হলো পৃথিবী থেকে আকাশের/ ঐশীর সংযোগ, সত্যের উপস্থিতি, এবং তা হলো সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদ ﷺ, সেখানে আল্লাহ তাকে ন্যায়বিচার, সৌন্দর্য এবং ... মানুষের পোশাক পরিধান করিয়েছিলেন।

ইনসা-নিল আঝালি ফি নাশরি মান লাম ইয়াঝাল, “যে মানুষ আজল থেকে আবাদে বাস করছে ঐশী নাম ও বৈশিষ্ট্যের গোপন বিষয় তার কাছে উন্মুক্ত হবে।”  ফি- ক্ব-বা না-সূু-তিল উয়িসা-লিল আক্বরাব। তিনি কেবল তাদের জন্যই খোলেন যিনি পার্থিব জীবন এবং ঐশী জীবনের সংযোগস্থলে পৌঁছেছিলেন, তিনি তাদের জন্য উন্মুক্ত করেছিলেন যারা বেহেশতি জীবনের দিকে এগিয়ে চলেছে। ইয়া আল্লাহ স্বল্লি বিহি। ‘স্বল্লি বিহি,স্বল্লি ’আলাইহির চেয়ে আলাদা। এর অর্থ তার মাধ্যমে সালাত আদায় করা। স্বল্লি বিহি মিনহু। তাঁর থেকে ও তাঁর প্রতি সালাত প্রেরণ করুন, নবিজি ﷺ এর থেকে ও নবিজি ﷺ এর প্রতি এবং তাঁর মাঝে; ওয়া সাল্লিম, এবং তাঁকে শান্তির সম্ভাষণ দিন। আমিন।

Salaatu Ulu'l 'Azm

সালাওয়াত উলুল আজম

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَسَيِّدِنَا آدَم وَسَيِّدِنَا نُوحٍ وَسَيِّدِنَا إِبْرَاهِيمَ وَسَيِّدِنَا مُوسَى وَسَيِّدِنَا عِيسَى وَمَا بَيْنَهُمْ مِن النَّبِيّين وَالمُرْسَلِين صَلَوَاتُ اللهِ وَسَلَامُهُ عَلَيهِمْ أَجْمَعِينَ.

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিন ওয়া সাইয়্যিদিনা- আদামা ওয়া সাইয়্যিদিনা- নু-হ্বিন ওয়া সাইয়্যিদিনা- ইবরা-হি-মা ওয়া সাইয়্যিদিনা- মু-সা- ওয়া সাইয়্যিদিনা- ’ই-সা- ওয়া মা- বাইনাহুম মিনান্ নাবিয়্যি-না ওয়াল মুরসালি-না স্বলাওয়া-তু ল্লাহি ওয়া সালা-মুহু ’আলাইহিম আজমাই-ন।

এই সালাওয়াতটি তিনবার পাঠ করা পুরো দালায়েলুল-খয়রাত পড়ার সমান।

হে আল্লাহ়্! সাইয়্যিদিনা মুহাম্মদ, সাইয়্যিদিনা আদম, সাইয়্যিদিনা নুহ, সাইয়্যিদিনা ইব্রাহিম, সাইয়্যিদিনা মুসা এবং সাইয়্যিদিনা ইসা এবং তাদের মধ্যবর্তী আগত অন্যান্য সকল নবি-রসুলকে কল্যাণ দান করুন। তাদের সকলের উপর আল্লাহর নেয়ামত ও সালাম বর্ষিত হোক।

Salawat Kamaaliya

সালাওয়াত কামালিয়্যা

اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَباَرِكْ عَلىَ سَيِّدِناَ مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ عَدَدَ كَمَالِ الله وَكَمَا يَلِيقُ بِكَمَالِهِ

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বা-রিক ’আলা- সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ওয়া ’আলা- আ-লিহি ’আদদা কামা-লিল্লা-হ ওয়া কামা- ইয়ালি-ক্বু বি কামা-লিহ।

এই সালাওয়াতে নবি ﷺ ও তাঁর পরিবারের উপরে সালাওয়াত প্রেরণের কথা বলা হচ্ছে ‘আলা- আ-লিহি আদদা কমালিল্লাহ ওয়া কামা- ইয়ালিকু বি কামা-লিহি’ অর্থাৎ, ‘আল্লাহর উৎকর্ষ বা সিদ্ধির সংখ্যার উপর এবং 'পূর্ণতা' শব্দের বিশালতা ও ব্যাপকতা’ অনুযায়ী। যা আমরা বুঝতে পারি তা নয়, বরং ঐশী পারফেকশন যার কম বা বেশি কিছু নেই, সর্বোচ্চ স্তরের পরিপূর্ণতা যা ঐশী, তা সৃষ্ট নয়। কিছু বর্ণনায় যা শাফেয়ি মাযহাব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে বেশি অনুসরণ করা হয়, এর তিলাওয়াত একই রকম এবং বলা হয় যে এ সালাওয়াতের পুরষ্কারের কোন শেষ নেই। সে কারণে তারা এটি ৬০০,০০০ সালাওয়াতের বা এক লক্ষ সালাওয়াতের সমতুল্য এমন বলেন না; কারণ এই সালাওয়াতের কোন শেষ নেই, যেহেতু আল্লাহর উৎকর্ষের কোনও শেষ নেই, এই সালাওয়াতের পুরস্কার ও কল্যাণেরও শেষ নেই।

হে আল্লাহ! আমাদের অভিভাবক মুহাম্মদ ﷺ এবং তাঁর পরিবারকে নেয়ামত, শান্তি ও অনুগ্রহ দান করুন আল্লাহর উৎকর্ষের সংখ্যানুসারে এবং যেমনটি তার পরিপূর্ণতার উপযোগী!

Salawat to See Prophet  In a Dream (71 times)

রসুলুল্লাহ কে স্বপ্নে দেখার সালাওয়াত (৭১ বার)

اَللّهُمَ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ كَمَا أَمَرْتَنَا أَنْ نُصَلِّيَ عَلَيهِ وَصَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ كَمَا يَنْبَغِي أَنْ يُصَلَّى عَلَيهِ

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিন কামা- আমারতানা- আন নুস্বাল্লিয়া ’আলাইহি ওয়া স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন কামা- ইয়ামবাগি- আন ইউস্বাল্লা- ’আলাইহি।

নবি ﷺ কে দেখতে চাইলে, এ সালাওয়াতটি ৭১ বার পাঠ করুন এবং আপনি নবি ﷺ কে দেখতে পাবেন এবং তাঁর পবিত্র সুগন্ধের ঘ্রাণ পাবেন!

হে আল্লাহ, আমাদের অভিভাবক মুহাম্মদ ﷺ কে সমুন্নত করুন, যেমন আপনি আমাদের তাঁর উপর সালাওয়াত পড়তে আদেশ করেছেন এবং আমাদের অভিভাবক মুহাম্মদ ﷺ কে কল্যাণ দান করুন যেমন কল্যাণের তিনি যোগ্য।

Salawat that Equals 100,000 Salawat (1 time daily)

সালাওয়াত যা ১০০,০০০ সালাওয়াতের সমান (দিনে ১ বার)

اَللّهُمَ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمّدٍ عَبدِكَ ونَبِيِّكَ ورَسُولِكَ الْنَبِىّ الْأُمِّىّ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلِّمْ تَسلِيمَاً. بِقَدرِ عَظَمَةِ ذَاتِكَ فِى كُلِّ وَقتٍ وَحِين

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিন ’আবদিকা ওয়া নাবিয়্যিকা ওয়া রসু-লিকা আন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া ’আলা আ-লিহি ওয়া স্বহ্ববিহি ওয়া সাল্লিম তাসলি-মান বি ক্বদারি আজ্বামাতি যা-তিকা ফি- কুল্লি ওয়াক্বতিন ওয়া হ্বি-ন।

এই সালাওয়াতটি একবার পাঠ করা একলক্ষ বার সালাওয়াত পাঠ করার সমান হবে।

হে আল্লাহ, আপনার বান্দা, আপনার নবি এবং আপনার রসুল, সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদ (ﷺ), যিনি উম্মি নবি এবং তার পরিবার ও সাহাবিদের প্রতি সালাত প্রেরণ করুন সর্বকাল ও মুহূর্তে। আপনার অসীম মহিমার অনুরূপ যথেষ্ট শান্তি ও সালাম প্রেরণ করুন।

Erase 100,000 Grand Sins with One Salawat

একটি সালাওয়াত পাঠে ১০০,০০০ বড় গুনাহ মোচন করুন     

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الْسَّابِقِ لِلْخَلْقِ نُوْرُهُ وَ رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ ظُهُورُهُ عَدَدَ مَنْ مَضَى مِنْ خَلْقِكَ وَمَنْ بَقِيَ وَمَنْ سَعِدَ مِنْهُمْ وَمَنْ شَقِيَ صَلَاةً تَسْتَغْرِقُ الْعَدَّ وَتُحِيطُ بِالْحَدِّ صَلَاةً لَا غَايَةَ لَهَا وَلَا مُنْتَهَى وَلَا انْقِضاءَ تُنِيلُنَا بِهَا مِنْكَ الرِّضَا صَلَاةً دَائِمَةً بِدَوَامِكَ بَاقِيَةً بِبَقائِك.

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ اللَّذِي مَلَأْتَ قَلْبَهُ مِنْ جَلَالِكَ وَعَيْنَهُ مِن جَمَالِكَ فَأَصْبَحَ فَرِحاً مٌأَيَّداً مَنْصُوراً وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلِّمْ تَسْلِيماً وَالْحَمْدُ لِلهِ عَلَى ذَلِكَ.

আল্লাহুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিনিস্ সা-বিক্বি লিল্ খলক্বি নু-রুহু ওয়া রহ্বমাতাল্লিল্ ’আ-লামি-না জ্বুহু-রুহু ’আদাদা মাম্ মাদা মিন খলক্বিকা ওয়া মাম্ বাক্বিয়া ওয়া মান সা’ইদা মিনহুম ওয়া মান শাক্বিয়া স্বলা-তান তাসতাগরিক্বুল ’আদ্দা ওয়া তুহ্বি-ত্বু বিল হাদ্দি স্বলা-তান লা- গ-য়াতা লাহা- ওয়া লা- মুনতাহা ওয়া লা-নক্বিদ্বা-আ ওয়া তুনি-লুনা বিহা- মিনকা আর-রিদ্বা স্বলা-তান দা-ইমাতান বিদাওয়া-মিকা বা-ক্বিয়াতান বিবাক্বা-ইকা।

আল্লাহুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিনিল্লাযি- মালা’তা ক্বলবাহু মিন জালা-লিকা ওয়া ’আইনাহু মিন জামা-লিকা ফাআস্ববাহ্বা ফারিহ্বান মুআইয়্যাদান মানস্বু-রান ওয়া ’আলা- আ-লিহি ওয়া স্বহ্ববিহি ওয়া সাল্লিম তাসলি-মান ওয়াল হ্বামদু লিল্লা-হি ’আলা- যা-লিক।

আপনি যদি এই সালাওয়াতটি একবার পড়েন তবে আল্লাহ আপনার ১০০,০০০ গুনাহ ক্ষমা করবেন! আল্লাহ ১০০,০০০ বড় গুনাহ ক্ষমা করবেন, মিন আল-কাবাইর। এই সালওয়াতের একটি তিলাওয়াতে আল্লাহ আরও এক লক্ষ বড় গুনাহ এবং দুই তিলাওয়াতে ২০০,০০০ বড় গুনাহ, এবং তিনটি তিলাওয়াতে ৩০০,০০০ বড় গুনাহ, এবং দশটি তিলাওয়াতে এক মিলিয়ন বড় গুনাহকে সরিয়ে দেন!

হে আল্লাহ! আমাদের নেতা মুহাম্মাদকে (ﷺ) সমুন্নত ও মহিমান্বিত করুন, যার নুর সমস্ত সৃষ্টির পূর্বে ছিল, যার আবির্ভাব সমস্ত জগতের প্রতি করুণা। আপনি যত সৃষ্টি করেছেন, তাদের যারা মৃত্যুবরণ করেছে তত সংখ্যায় এবং যারা রয়ে গেছে তাদের সংখ্যার সমান, যারা ভাগ্যবান এবং যারা নয়, তাদের সংখ্যার সমান কল্যাণ দান করুন। এমন আশীর্বাদ দিন যা সমস্ত গণনা ছাড়িয়ে যায় এবং যা সমস্ত সীমাকে ঘিরে রাখে। আশীর্বাদ যা অশেষ, সীমাহীন, অবিরাম, আশীর্বাদ যা অনন্তকালীন, আপনার যত ইচ্ছা তত পরিমাণে।

হে আল্লাহ! আমাদের অভিভাবক মুহাম্মাদকে আশীর্বাদ করুন, যার অন্তর আপনার মহিমায় এতটাই পরিপূর্ণ, এবং যার চোখ আপনার সৌন্দর্যে এতটাই পরিপূর্ণ যে তিনি আনন্দিত, সমর্থিত এবং বিজয়ী এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবিগণকে কল্যাণ দান করুন এবং তাঁকে ও তাদের সকলকে প্রচুর শান্তি দান করুন, এবং এই সমস্ত কিছুর জন্য আল্লাহর প্রশংসা! (দালাইল আল-খায়রতের প্রথমার্ধ)

To See Your Lord's Manifestations in the Dream (1000 times on Jumu`ah)

সালাওয়াত: স্বপ্নে সৃষ্টিকর্তার নূর দেখা (জুম’আতে ১০০০ বার)

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّد النَّبِيِّ الأُمِّيِّ جَزَى اللَّهُ عَنَّا مُحَمَّدً مَّا هُوَ اَهْلُه

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদ আন-নাবিয়্যিল্ উম্মিয়্যি জাঝাল্লা-হু ’আন্না মুহাম্মাদান মা- হুয়া আহলুহু।

বলা হয়ে থাকে, “যে এ সালাওয়াতটি আবৃত্তি করবে সে তার পালনকর্তা আল্লাহ রব্বুল আলামিনের নূর, কোনও ফেরেশতা বা নবি করিম ﷺ কে স্বপ্নে দেখতে পাবে বা জান্নাতে তার স্থান দেখতে পাবে।” ইনশাআল্লাহ যে এই সালাওয়াতটি জুম‘আতে এক হাজারবার পাঠ করবে, তাদের আল্লাহ তা’আলা তাঁর নূর অথবা তাঁর নবি ﷺ কে বা জান্নাতে তার স্থান দেখার জন্য অনুমতি দেবেন। আপনি যদি তা না দেখতে পান তবে পাঁচ সপ্তাহ ধরে এটি আবৃত্তি করে যান। এ সালাওয়াতটি অনেকেই পাঠ করেছেন এবং তারা সকলেই দেখতে সক্ষম হয়েছিলেন।

হে আল্লাহ! আমাদের অভিভাবক উম্মি নবি মুহাম্মদ ﷺ কে কল্যাণ ও আশীর্বাদ দান করুন। হে আল্লাহ মুহাম্মাদ ﷺ কে পুরস্কার দান করুন যা তিনি প্রাপ্য।

The Salawat in at-Tahiyyat

আত্ তাহিয়াতের সালাওয়াত

اَلْسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ

আস-সালামু ’আলাইকা আয়্যুহান-নাবিয়্যু ওয়া রহ্বমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহ।

নবি বলেছিলেন যে, যে-কেউ এই সালাওয়াত প্রতিদিন একবার পাঠ করবে সে সাখরাত আল মাওত, মৃত্যুর বেদনা অনুভব করবে না এবং তার আত্মা স্বাচ্ছন্দ্যে চলে যাবে, যেমন হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে যে মু’মিনের আত্মা দেহ ত্যাগ করবে ঘি থেকে চুল টেনে নেওয়ার মতো অত্যন্ত সহজে। সুতরাং প্রতিদিন অন্তত একবার জাওহারাত আল-কমাল তেলাওয়াতসহ উল্লিখিত সালাওয়াত পাঠ করুন।

হে নবি! আল্লাহর শান্তি, কল্যাণ ও অনুগ্রহ আপনার উপর বর্ষিত হোক।

Salawaat as-Sa`adah

সালাওয়াত আস-সা’আদাহ 

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ عَدَدَ مَا فِي عِلْمِ اللهِ صَلاَةً دَائِمَةً بِدَوَامِ مُلْكِ الله

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ওয়া সাল্লিম ’আলা- সাইয়্যিদিনা- ওয়া মাওলানা- মুহাম্মাদিন ’আদদা মা- ফি- ’ইলমিল্লা-হি স্বলাতান দা-ইমাতান বিদাওয়া-মি মুলকিল্লা-হ।

শেখ আহমদ আস-সাওয়ির আফদাল আস সালাওয়াত বইয়ে থেকে বলা হয়েছে যে, আপনি যদি এই সালাওয়াত একবার পড়েন তবে এর এমন সওয়াব পাওয়া যায় যেন আপনি ৬০০,০০০ বার সালাওয়াত পড়েছেন। এবং আপনি যদি দিনে সত্তর বার পাঠ করেন তবে আপনাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হবে!

হে আল্লাহ! আমাদের নেতা ও মনিব মুহাম্মাদ ()-কে যতক্ষণ আল্লাহর রাজত্ব বিদ্যমান থাকবে ততক্ষণ চলমান প্রার্থনার সাথে আল্লাহর জ্ঞানে যা আছে সে সংখ্যার সমান সালাত ও সালাম প্রেরণ করুন।

Salat-i Tibbiyya

সালাত-ই তিব্বিয়্যা

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ طِبِّ الْقُلُوبِ وَدَوَائِهَا وَ عَافِيَةِ اْلاَبْدَانِ وَ شِفَائِهَا وَ نُورِاْلاَبْصَارِ وَ ضِيَائِهَا وَ عَلَى اَلِهِ وَصَحْبِهِ وَ سَلِّمْ

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদিন ত্বিব্বিল ক্বুলু-বি ওয়া দাওয়া-ইহা ওয়া ’আ-ফিয়াতিল আবদা-নি ওয়া শিফা-ইহা-, ওয়া নু-রিল আবস্বা-রি ওয়া দ্বিয়া-ইহা-, ওয়া ’আলা- আ-লিহি ওয়া স্বহ্ববিহি ওয়া সাল্লিম।

এই সালাওয়াতটি দুরূদ শিফা ই ক্বুলুব নামেও পরিচিত, এই সালাওয়াত আধ্যাত্মিক ও শারীরিক অসুস্থতার নিরাময়ের জন্য পড়া হয় এবং এটি অভিশপ্ত শয়তানের ফিসফিসানি ও ভালো কাজে নফসের হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা করে।

হে আল্লাহ! আমাদের মনিব মুহাম্মদ ﷺ, যিনি হৃদয়ের ওষুধ ও তাদের নিরাময়, দেহের স্বাস্থ্য এবং তাদের নিরাময়, চোখের আলোক এবং তাদের আলোকসজ্জা, তাঁর প্রতি এবং তাঁর পরিবার ও সহচরদের প্রতি অনুগ্রহ বর্ষণ করুন এবং শান্তি প্রেরণ করুন।

Salawaat for Shifaa/Healing (3 times at Fajr)

শিফা বা আরোগ্যের সালাওয়াত (ফজরের সময়ে ৩ বার)

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ سَيِّدِنَا مُحَمَّد بِعَدَدِ كُلِّ دَاءٍ وَ دَوَاءٍ وَ بَارِك وَ سَلِّمْ عَليهِ .وَعَلَيْهَمْ كَثيرًا كثيرَا وَالحَمْدُ لله رَبّ العَالَمِينْ

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদ ওয়া ’আলা- আ-লি সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদ বি ’আদাদি কুল্লি দা-ইন্ ওয়া দাওয়া-ইন ওয়া বা-রিক ওয়া সাল্লিম ’আলাইহি ওয়া ’আলাইহিম কাথি-রান্ কাথি-রা, ওয়াল হ্বামদুলিল্লা-হি রব্বিল ’আ-লামি-ন।

এই সালওয়াতের মাধ্যমে যখনই আমরা বলি, “হে আল্লাহ! নবি (ﷺ) এর মর্যাদা সমুন্নত করুন যত সংখ্যক অসুস্থতা ও নিরাময় রয়েছে” আল্লাহ আমাদের কাছ থেকে সমস্ত (আধ্যাত্মিক ও শারীরিক) অসুস্থতা দূর করে দেন এবং আমাদের নিরাময়ের ব্যবস্থা করেন, যেমন প্রতিটি রোগের নিরাময় রয়েছে। এই সালওয়াত ৮০০ খারাপ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থেকে আসা প্রতিটি আধ্যাত্মিক অসুস্থতাকে নিরাময় করতে পারে; আপনার দেহে অসুস্থতা প্রকাশিত হওয়ার আগে আপনাকে অবশ্যই এভাবে রসুল (ﷺ) এর জন্য সালাওয়াত প্রেরণ করতে হবে। এই সালওয়াত পাঠ করলে আমাদের অন্তর থেকে সমস্ত মরিচা দূর হবে এবং তা আত্মার রসদ হবে।

হে আল্লাহ, আমাদের অভিভাবক মুহাম্মাদ (ﷺ) এবং তার পরিবারকে মর্যাদায় সমুন্নত করুন যত সংখ্যক রোগ ও আরোগ্য রয়েছে সে-অনুযায়ী। তাকে ও তাদেরকে কল্যাণ ও প্রশান্তি দিন অন্তহীনবার। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি জগৎসমূহের প্রতিপালক।

Salawat to Remove Difficulties and Sicknesses

অসুবিধা ও অসুস্থতা দূর করার সালাওয়াত

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَ عَلَى آلٍ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ قَدْ ضَاقَتْ حِيلَتِي أَدْرِكْنِي يَا رَسُولَ الله

আল্লা-হুম্মা স্বল্লি ’আলা- সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদ ওয়া ’আলা- আ-লি সাইয়্যিদিনা- মুহাম্মাদ ক্বদ দ্ব-ক্বাত হ্বি-লাতি- আদ্রিকনি- ইয়া রাসু-লআল্লাহ।

শেখ নাবাহানীর পুরানো বইগুলিতে পাওয়া এই সালাওয়াত ২০০ থেকে ৩০০ বার পড়লে অসুবিধা, অসুস্থতা দূর হবে এবং স্বাচ্ছন্দ্য, স্বস্তি এবং আনন্দ আসবে।

হে আল্লাহ, আমাদের মনিব মুহাম্মদ  (ﷺ) এবং তাঁর পরিবারকে সমুন্নত করুন। (হে আল্লাহ!) আমি এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে আমার পথ খুঁজে পাচ্ছি না, আমাকে বের করুন! আদ্রিকনি-, আমার কাছে পৌঁছান, ইয়া রসুলুল্লাহ!