কেস স্টাডিস - আমাদের রিসার্চ ফাইলের কিছু উদ্ধৃতি

ডাঃ পরমেশ ব্যানার্জী’র ক্লিনিক এবং টেলিমেডিসিন টীম

এই পাতাতে কিছু রোগীদের কেস ফাইল থেকে উদ্ধৃত আমাদের ক্লিনিকাল রিসার্চের পরিনাম আছে।  

আমাদের টীম ক্লিনিক এবং টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে নিম্নলিখিত পরিনাম অর্জন করেছেন।

আমাদের মেডিকেল টীম পৃথিবীর ৮৭টি দেশে অবস্থিত আমাদের রোগীদের অতি সাধারণ থেকে অত্যন্ত জটিল এবং সংকটপূর্ণ রোগের চিকিৎসা করে থাকে। যদি আপনি কোনো একটি বিশেষ রোগ আমাদের তালিকাভুক্ত না দেখেন, তাহলে সেই রোগটি আমাদের হোমিওপ্যাথি দ্বারা চিকিৎসার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানার জন্য নিঃসংকোচে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। কারণ আমাদের মেডিকেল টীম যখন এতপ্রকার দুরূহ রোগের চিকিৎসা করতে পারছে, তখন আশা করা যায় যে আপনার রোগের চিকিৎসায় আপনাকেও নিশ্চই সাহায্য করতে পারবে।  

নাদাবীর জন্য এখানে ক্লিক করুন

রোগের তালিকা - কেস স্টাডিস দেখার/পড়ার জন্য নিম্নলিখিত লিঙ্কগুলিতে ক্লিক করুন

অটিসম

ব্রেইন টিউমার্স

ক্যান্সার্স

রেনাল ফেইলিওর

ওভারিয়ান সিস্ট ও অন্যান্য মহিলা রোগ

ডায়াবেটিস

হাইপোথাইরয়েডিসম  

প্যানক্রিয়াটাইটিস

পাইল্স

কিডনি স্টোনস

আর্থরাইটিস

লিভার সিরোসিস অথবা লিভার ফাইব্রোসিস

মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস

অন্যান্য  

অটিসম               

                                                                                                                                      (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

এস আর

বয়স ১৩ বছর

বালিকা  

দক্ষিণ দিনাজপুর

পশ্চিমবঙ্গ

রোগী যখন অটিসম-এর জন্য আমাদের চিকিৎসা নিতে শুরু করেছিল ৫ই জুন ২০১৩, তখন তার...

কথা অত্যন্ত অস্পষ্ট/জড়ানো ছিল

সামাজিক আদানপ্রদান খুব কম ছিল

প্রতিক্রিয়ার বা সাড়া দেওয়ার মাত্রা অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল

বেশির ভাগ সময়েই রাগ এবং আক্রমণাত্মকভাব খুব বেশি থাকতো

মাসিক চক্র অনিয়মিত ছিল  

বর্তমানে রোগীর মাতা-পিতা নিশ্চিত করেছেন যে রোগী…

আগের চেয়ে অনেক ভালো আছে

ভাঙা ভাঙা বাক্য বলতে পারছে

বিছানা ভেজানোর অভ্যেস পুরোপুরি চলে গেছে

কথার জড়ানো-ভাব কমেছে

এখন একই কথার বার বার পুনরাবৃত্তি করে না

সামাজিক আদানপ্রদানের মাত্রা অনেক বেড়েছে

রাগ এবং আক্রমণাত্মকভাব ৭০%-৮০% কমেছে

মাসিক চক্র নিয়মিত হয়ে গেছে

রোগী এখনো আমাদের চিকিৎসাধীন আছে।

পি এম

বয়স ৭ বছর

বালক

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

রোগী যখন অটিসম-এর জন্য আমাদের চিকিৎসা নিতে শুরু করেছিল ২৮শে জানুয়ারি  ২০১৫, তখন...

সে কথা বলতে পারতো কিন্তু বাক্য পুরো করতে পারতো না

সে খুব অস্থির এবং দুরন্ত ছিল

তার চোখের দিকে তাকানো এবং মনঃসংযোগ করার মাত্রা অত্যন্ত কম ছিল

বর্তমানে রোগীর মাতা-পিতা নিশ্চিত করেছেন যে রোগী…

এখন অনেক ভালো করে কথা বলতে পারে এন্ড বাক্য পুরো করতে পারে

অস্থিরতা এবং দৌরাত্য প্রায় নেই বললেই চলে

চোখের দিকে তাকায়

মনঃসংযোগ করতে পারে

এ ডি

বয়স ৪ বছর

বালিকা

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

রোগী যখন অটিসম-এর জন্য আমাদের চিকিৎসা নিতে শুরু করেছিল ৯ই জুলাই ২০১৪, তখন তার...

ক্রমবৃদ্ধি বিলম্বিত ছিল

কথা বলতে পারা বিলম্বিত ছিল

কথা অস্পষ্ট/জড়ানো ছিল

দুরন্ত ছিল

মনঃসংযোগের মাত্রা কম ছিল

সামাজিক আদানপ্রদান কম ছিল

রাগ, আক্রমণাত্মকভাব এবং উগ্রতা খুব বেশি ছিল  

বর্তমান পরিস্থিতি…

জিজ্ঞাসা করলে সব কথা/শব্দ উচ্চারণ করতে পারছে

একের অধিক শব্দ-সংযোগে বাক্য বলতে পারছে

সব নির্দেশ বুঝতে পারছে এবং অনুসরণ করছে

সব রঙ চিনতে পারছে এবং তাদের নাম বলতে পারছে

রাগ, আক্রমণাত্মকভাব এবং উগ্রতা কমেছে

রোগীর সর্দি-কাশি জনিত সমস্যাও ছিল যা আমাদের চিকিৎসায় অনেক ভালো হয়েছে।

এ কে

বয়স ৭ বছর

বালক

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

রোগী যখন অটিসম-এর জন্য আমাদের চিকিৎসা নিতে শুরু করেছিল ৩রা জুন ২০১৩, তখন…

মেজাজ অস্থির ছিল

জেদি ছিল

নিজেকে চড় মারার অভ্যেস ছিল

খুব অস্থির এবং দুরন্ত ছিল

রাগী এবং আক্রমণাত্মক ছিল

কথা বলার সময় বাক্য পুরো করতে পারতো না

বার বার একই কথার পুনারাবৃত্তি করতো

চোখের দিকে খুব কম তাকাতো

বর্তমান পরিস্থিতি…

দৌরাত্য ৭৫% কম

জেদ ৭৫% কম

একই কথার পুনারাবৃত্তি আর করে না

বাক্য পুরো করতে পারায় উন্নতি হয়েছে

নিজেকে চড় মারার অভ্যেস - আর নেই

অস্থিরতা - একটু কমেছে

এস এম

বয়স ৭ বছর, বালক

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

রোগী যখন অটিসম-এর জন্য আমাদের চিকিৎসা নিতে শুরু করেছিল ৯ই মার্চ ২০১৫, তখন…


অত্যন্ত দুরন্ত ছিল

সামাজিক আদানপ্রদান বলে কিছুই ছিল না

প্রতিক্রিয়া বা সাড়া দেওয়ার মাত্রা অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল

দৃষ্টিশক্তি দূর্বল ছিল

অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসাধীন ছিল  

বর্তমান পরিস্থিতি…

দৌরাত্য এবং নিজেকে চোট দেবার প্রবণতা অনেক কমেছে

আদানপ্রদান বা প্রতিক্রিয়ার ক্ষমতা বেড়েছে - রোগীর মাতা-পিতা নিশ্চিত রূপে বলেছেন

ব্রেইন টিউমার্স

                                                                                                                                           (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

জে কে

বয়স ৩২ বছর,

মহিলা

পাটনা

বিহার

রোগী আমাদের ক্লিনিকে দেখাতে এসেছিলেন ১৮ই জানুয়ারী ২০১০। এম আর আই ব্রেইন (২৪.১০.২০০৯): মেনিনজিওমা (৪৩মিমি)

গত এম আর আই ব্রেইন রিপোর্ট (২১.১০.২০১৩): প্রায় ০.৩ সেন্টিমিটার পরিমাপের ছোট একটি স্ফীতি ডান দিকের পশ্চাদ্বর্তী টেনটোরিয়াল প্রান্তে কেন্দ্র বর্ধন করছে।

তার মানে আয়তনে কমেছে (আগের মাপ ছিল প্রায় ৫ মিমি x ৬ মিমি ৩০শে জানুয়ারী ২০১২ তে)

আর জি

বয়স ৩৩ বছর

হুগলী

পশ্চিমবঙ্গ

রোগীর মেনিনজিওমা (ব্রেইন টিউমার) হয়েছিল। আমাদের চিকিৎসা শুরু হয় ১৭ই এপ্রিল ২০১২তে।

ব্রেইন-এর এম আর আই (প্লেইন এবং কনট্রাস্ট) (০১.০৩.২০১২):

ইম্প্রেশন: কনট্রাস্ট দ্বারা বর্ধিত এম আর আই ডান দিকের প্যারাসেলার এলাকায় একটি পিণ্ডকে প্রদর্শন করছে যার আয়তন ২০ মিমি (এপি) X ১৯ মিমি (এমএল) X ১৬ (সিসি) - মেনিনজিওমা।

 

ব্রেইন-এর এম আর আই (১১.০৬.২০১৫)

ইম্প্রেশন: সাধারণ লক্ষণ

নাকের ভিতর জ্বালা ভাব - নেই

মাথার যন্ত্রনা - নেই

বমি - নেই

অম্বল - কখনো কখনো

হাত-পা কাঁপা - নেই

ক্ষিদে - ঠিক আছে

মল-মূত্র - ঠিক আছে

সর্বাঙ্গীনরূপে রোগী ভালো আছে

কে কে

বয়স ৩৭ বছর, পুরুষ

ভুবনেশ্বর

ওডিশা

ব্রেইন টিউমার-এর রোগী, নিম্নশ্রেণীর গ্লিয়োমা।

টিউমার-এর আয়তন ছোট হয়েছে

এখনো বৃদ্ধি-সক্ষম অনুপ্রবেশী এস ও এল যার পরিমাপ মোটামুটি ৩.৬ x ৫.৪ x ৩.৪ সেন্টিমিটার যা মস্তিষ্কের ঠিক গোড়ায় রয়েছে।

আগের থেকে পরিমাপ ছোট হয়েছে (আগে ছিল ৫.২ x ৫.৪ x ৪.৩ সেন্টিমিটার ১০ই সেপ্টেম্বর ২০১৩ তে)

পি এস

বয়স ৪৪ বছর, পুরুষ

কেন্দ্রপাড়া

ওডিশা

ক্রানিওটমি এবং রেডিওথেরাপি করার পরের অবস্থা। ডানদিকের সম্মুখভাগের স্থিতি - টেম্পোরো - পারাইটাল অ্যানাপ্লাস্টিক অ্যাস্ট্রসাইটোমা - তৃতীয় স্তর

২০১৩’র এপ্রিল মাসে অস্ত্রোপচার হয়েছিল

২০১৩’র ডিসেম্বর থেকে আমাদের চিকিৎসাধীন

জুলাই ২০১৩ তে টিউমারের পরিমাপ ছিল -- ৬৭ x ৬৩ মিমি

আমাদের চিকিৎসায় রোগী লক্ষণভিত্তিক ভাবে অনেক ভালো আছে

জানুয়ারী ২০১৫ তে শেষ স্ক্যান করা হয়েছিল যাতে টিউমারের পরিমাপ কমেছে -- ৪৬ x ৪৩ মিমি

আমরা কেবলমাত্র টিউমারের বৃদ্ধি রোধ করতেই সক্ষম হইনি, আমরা টিউমারের আয়তনও ছোট করতে পেরেছি।

আর সি

দিল্লী এন সি আর

এটি একটি ক্যান্সারাস ব্রেইন টিউমার - শ্রেণী: গ্লিয়োব্ল্যাস্টোমা - চতুর্থ স্তর - অস্ত্রোপচারের পরের অবস্থা।

এই ধরণের ব্রেইন টিউমার-এর রোগীরা সাধারণত ১৪ মাসের বেশি বাঁচেন না, তা সে যতই অস্ত্রোপচার, রেডিওথেরাপি এবং ব্যয়সাদ্ধ কেমোথেরাপি করা হোক না কেন।

রোগী ইতিমধ্যেই ২ বছরের অধিক সময় আমাদের চিকিৎসাধীন আছেন।

ব্রেইন-এর এম আর আই রিপোর্ট (২০.১০.২০১৫):

বাম দিকের প্যারাইটোসিপিটাল লোব-এ কিছু পরিবর্তন (১.৪ x ২.৩ x ১.২ সেন্টিমিটার)

টিউমার-এর আয়তন ছোট হয়েছে (আগের স্ক্যান অনুযায়ী পরিমাপ ছিল ১.৬ x ২.৫ x ১.৫ সেন্টিমিটার) এবং অস্ত্রোপচার পশ্চাৎ যে ক্যাভিটি ও সামান্য বৃদ্ধি ছিল, তাও কম হয়েছে।

কোনো স্পষ্ট অবশিষ্টাংশ অথবা পুনরায় হতে পারে এমন ক্ষত দেখা যাচ্ছে না।

বর্তমানে রোগীর কোনো শারীরিক সমস্যা নেই।

বি এম

বয়স ৪২ বছর, মহিলা

কটক

ওডিশা

ব্রেইন টিউমার -

২০০৭ সালে রোগী যখন আমাদের টেলিমেডিসিন সার্ভিসের জন্য যোগাযোগ করেন, তখন তাঁর ব্রেইন টিউমারের আয়তন ছিল ৫৪ x ৪২ মিমি এবং তাঁর অবিলম্বে অস্ত্রোপচারের কথা ছিল, যেটি তাঁর জন্য একটি সম্ভবত বড় ঝুঁকি হত।

রোগীর ভাই, যাঁর মাসিক আয় ১২,০০০ টাকা, রোগীর চিকিৎসা-সংক্রান্ত সব খরচ-খরচা চালান।

আমাদের ওষুধে রোগী এখন অনেক ভালো আছেন এবং সাধারণভাবে জীবনযাপন করছেন। আজ পর্যন্ত তাঁর কোনো অস্ত্রোপচার হয়নি এবং আমাদের চিকিৎসা শুরু হওয়া থেকে আজ অবধি তিনি আমাদের ওষুধ ছাড়া আর কোনো অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ খাননি।

ডি কে এস

বয়স ৫৬ বছর, পুরুষ

রাঁচি,

ঝাড়খণ্ড

ব্রেইন টিউমার - শ্রেণী: অ্যাসকোস্টিক সোয়ানোমা

উপরিল্লিখিত রোগের শনাক্তিকরণ যাওয়ার পর এবং রোগটির সব রকম লক্ষণের উপস্থিতি নিয়ে রোগী আমাদের কাছে এসেছিলেন ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে।  

এত বছর আমাদের চিকিৎসাধীন থাকায় রোগীর শারীরিক অবস্থার ক্রমান্বয়ে উন্নতি হয়েছে এবং রোগের লক্ষণগুলিও  প্রায় নেই বললেই চলে।

প্রথমে ব্রেইন টিউমারের বৃদ্ধি রোধ হয়, তারপর তার আকার ছোট হতে শুরু করে এবং তারপর সেটি একটি উপেক্ষণীয় আকারে পরিণত হয় - পরমেশ ব্যানার্জী অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথিক প্রোটোকল চিকিৎসার দ্বারা।

১৩.০৯.২০১০

অ্যানটেরো-পোষ্টেরিওরলি - ০.৯১

ট্রান্সভার্সলি - ১.৩৪

সুপারো-ইনফেরিওরলি - ০.৯০

১৪.১১.২০১১

অ্যানটেরো-পোষ্টেরিওরলি - ০.৮৫

ট্রান্সভার্সলি - ১.৩৮

সুপারো-ইনফেরিওরলি - ০.৭৪

০৮.১০.২০১৩

অ্যানটেরো-পোষ্টেরিওরলি - ০.২৮

ট্রান্সভার্সলি - ০.৩৫

সুপারো-ইনফেরিওরলি - ০.২০

বর্তমান এম আর আই রিপোর্ট:

ইম্প্রেশন: ১৪.১১.২০১১ তারিখের পুরোনো এম আর আই রিপোর্টের (যেখানে টিউমারের পরিমাপ ছিল এ পি ০.৮৫ X টি ১.৩৮ X এস আই ০.৭৪) সঙ্গে বর্তমান রিপোর্টটিকে, যা টিউমারটির আকার যথেষ্ট ছোট হয়েছে দেখাচ্ছে (এ পি ০.২৮ X টি ০.৩৫ X এস আই ০.২০) তুলনা করে দেখা যাচ্ছে যে ব্রেইন স্টেম কম্প্রেশনের কোনো চিহ্ন নেই। বাম দিকের করোনা রেডিয়াটা’র ভিতর কিছু ল্যাকুনস দেখা যাচ্ছে।

এ এইচ

বয়স ৪৭ বছর, মহিলা

বাঁকুড়া

পশ্চিমবঙ্গ

ব্রেইন টিউমার - শ্রেণী: অ্যান্যাপ্লাস্টিক অ্যাস্ট্রোসাইটোমা - মাল্টিফোকাল - তৃতীয় স্তর।

২বার অস্ত্রোপচারের পর রোগী ৩ থেকে ৪ মাস বাঁচবে বলা হয়েছিল।

আমাদের টেলিমেডিসিন ব্যবস্থায় রোগী প্রায় ৩ বছর আমাদের চিকিৎসাধীন আছেন। আমাদের চিকিৎসায় তিনি ধীরে ধীরে আরোগ্যের দিকে এগোচ্ছেন - তাঁর রাইলস টিউব খুলে দেওয়া হয়েছে কারণ তিনি এখন নিজেই চিবিয়ে/গিলে খেতে পারছেন, তবে পুরোপুরি সুস্থ হতে তাঁর এখনো অনেক সময় লাগবে।

আর এস

বয়স ৪৭ বছর,

মহিলা

কাটোয়া

বর্ধমান

পশ্চিমবঙ্গ

ব্রেইন টিউমার - শ্রেণী: পিটুইটারি ম্যাক্রোডেনোমা

২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গুরুতর লক্ষণযুক্ত অবস্থায় রোগী আমাদের বর্ধমান সেন্টারে আসেন।

রোগী এখন ভালো আছেন এবং সাধারণভাবে জীবনযাপন করতে পারছেন।  

এ এল

বয়স ৪৬ বছর, মহিলা

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

যথেষ্ট বড় আকারের ব্রেইন টিউমার - শ্রেণী: নিউরোগ্লিয়াল সিস্ট/গ্লিয়োমা।

রোগটির সব রকম লক্ষণ নিয়ে রোগী আমাদের কাছে এসেছিলেন। রোগী সেই সময় যে অ্যালোপাথিক ডাক্তারের অধীনে ছিলেন, তিনি রোগীকে অবিলম্বে সার্জারি করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন।

কিন্তু রোগী আমাদের চিকিৎসা নিতে মনস্থ করেন এবং আমাদের ক্লিনিকে আসেন। দু সপ্তাহের মধ্যে তাঁর যন্ত্রনা কমতে শুরু করে।

রোগীর বর্তমান এম আর আই রিপোর্টটি তাঁর আগের রিপোর্টের থেকে অনেক ভালো। এটি দেখে অ্যালোপ্যাথ ডাক্তাররা তাঁকে আমাদের চিকিৎসা চালিয়ে যাবারই পরামর্শ দিয়েছেন।

রোগী আজকাল যথেষ্ট ভালো আছেন এবং রোগের কোনো গুরুতর লক্ষণও আর নেই।

ক্যান্সার্স

                                                                                                                                          (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

এ এম

বয়স ৬৫ বছর, মহিলা

মুর্শিদাবাদ

পশ্চিমবঙ্গ

গল ব্লাডার-এ ক্যান্সার

টিউমার মার্কার টেস্ট রিপোর্ট (১০.১২.২০১৩):

সি এ ১৯.৯ -- ৪৩.২ এইচ (০ -- ৩৫)

লিভার ফাঙ্কশন টেস্ট রিপোর্ট (০৭.১২.২০১৩):

বিলি(টি) -- ১.৭ এইচ (<১),

এ এল পি -- ৬৫৪ এইচ (১০০ -- ২৯০),

এস জি ও টি -- ৫১ এইচ (৫ -- ৪০),

এস জি পি টি - ৭৪ এইচ (৫ -- ৪০)

টিউমার মার্কার টেস্ট রিপোর্ট (০১.০১.২০১৫):

সি এ ১৯.৯ -- ১১.৯৮ এইচ (০ -- ৩৭)

কমে স্বাভাবিক সীমার মধ্যে চলে এসেছে

(২৮.০৬.২০১৪ তারিখের রিপোর্টে ১৩.৫১ ছিল)

লিভার ফাঙ্কশন টেস্ট রিপোর্ট (২৯.০৬.২০১৫):

বিলি(টি) -- ০.৬৬ (০.১ -- ১),

এ এল পি -- ৩২৮ এইচ (৮০ -- ৩০৬),

এস জি ও টি -- ১৮ (৯ -- ৪৩),

এস জি পি টি - ২৩ (১০ -- ৩৫)

ক্ষিদে -- স্বাভাবিক

গ্যাস -- ৭৫% কম

খাবার পর ডান দিকের বুকে যে ব্যথা হতো সেটা আর নেই

বুকজ্বালা -- এখন আর নেই

মুখের ভিতর টক ভাব -- এখন আর নেই

পেট ফুলে থাকা -- এখন আর নেই

বি কে

বয়স ৬০ বছর, মহিলা

হাওড়া

পশ্চিমবঙ্গ

ইনি একজন প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সার রোগী যিনি আমাদের কাছ থেকে সফল চিকিৎসা পেয়েছেন। ২০০৭ সালে তাঁর প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সার ধরা পড়ে। সার্জারি, কেমোথেরাপি এবং অন্যান্য অ্যালোপাথিক চিকিৎসা করাতে রাজি হননি এবং তিনি ‘পরমেশ ব্যানার্জী অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথিক প্রোটোকল’ ভিত্তিক আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাকে বেছে নিয়েছিলেন।

১৬ মাসের মধ্যে রোগী রোগমুক্ত হয়ে যান, যার প্রমান তাঁর সিটি স্ক্যান রিপোর্টস এবং টিউমার মার্কার টেস্ট রিপোর্টস।

বি বি

বয়স ৭৪ বছর, মহিলা

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

মুখগহ্বরের ক্যান্সার - স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা

১৯.১২.২০১১ তারিখে আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন।

সেই সময় লক্ষণ ছিল:

মুখগহ্বরের ভিতর ডানদিকে টিউমারের মতো একটি বৃদ্ধি

রক্তপড়া -- কখনো কখনো

জিভে জ্বালাভাব

মাঝে মাঝে যন্ত্রনা

বর্তমান লক্ষণ (১১.০৫.২০১৫):

মুখগহ্বরের ভিতর ডানদিকে টিউমারের মতো একটি বৃদ্ধি - এখন আর নেই

নতুন কোনো টিউমার হয়নি

টিউমারের ভিতর অল্প যন্ত্রনা -- এখন আর নেই

রক্তপড়া -- 3 মাস আগে একবার হয়েছিল

জিভে জ্বালাভাব -- এখন আর নেই

রাত্তিরে মুখের ভিতর শুকনোভাব -- কখনো কখনো

 

এম এল

বয়স ৬৮ বছর, মহিলা

হাওড়া

পশ্চিমবঙ্গ

ওভারিয়ান ক্যান্সার

কেমোথেরাপির পরের অবস্থা। রোগীর খুব বেশি অ্যাসাইটিস ছিল যদিও ইতিমধ্যেই তাঁর একবার ট্যাপিং করা হয়েছিল। এছাড়াও রোগীর আরও সমস্যা ছিল যেমন হাই ব্লাড প্রেসার এবং হাইপারকোলেসটেরোলেমিয়া।

আমাদের চিকিৎসায় রোগীর রোগজনিত প্রায় সব রকম সমস্যার উন্নতি হয়। তাঁর পেটের পরিধিও কমে এবং পুনরায় সি এ ১২৫ টেস্ট করাতে স্ফীতি খুবই নিম্নগামী দেখা যায়, ১১০৬৪.৮২ (০৩.০৭.২০১৫) থেকে ১৭৭৫ (২৯.০৯.২০১৫)।

বি আর এস

বয়স ৩৮ বছর, পুরুষ

পাত্তন্দাই

ওডিশা

কোলোন ক্যান্সার।

আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে।

তখন লক্ষণ ছিল:

পেটের যন্ত্রনা

বদহজম

বমিভাব, বমি এবং কোষ্টকাঠিন্য

২০১৪ সালে ওপর পেটের একটি সি ই সি টি করানো হয়েছিল যেখানে উর্ধমুখী কোলোনের পশ্চাদ্বর্তী আসপেক্ট-এ ইরেগুলার লবুলেটেড মাস (৫.৮ x ৬.৮ x ৮.৪ সেন্টিমিটার) দেখা গিয়েছিল যা ইন্ট্রালুমিনাল পলিপয়ডাল প্রোজেক্শন দিয়ে কোলোনের দেওয়ালটিকে ইনভেড করছিল।

৬ মাস আমাদের চিকিৎসা নেওয়ার পর রোগীর শারীরিক সমস্যাগুলি প্রায় নেই বললেই চলে এবং ২৬শে জুন ২০১৪ তে নেওয়া সিটি স্ক্যান রিপোর্টেও সব কিছু স্বাভাবিক বলা হয়েছে কারণ ক্যান্সারাস মাসের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।

বর্তমানে রোগীর সব রকম সমস্যার উপশম হয়েছে এবং তিনি ওষুধ ছাড়াই স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।

এ এস

বয়স ৫৬ বছর, মহিলা

বারাণসী,

উত্তরপ্রদেশ

ক্যান্সার - পেরিঅ্যামপুলারি কার্সিনোমা (বাইল ডাক্ট এবং প্যানক্রিয়াসের সংযোগস্থলে)

২০০৯ সালে পেরিঅ্যামপুলারি কার্সিনোমায় আক্রান্ত হয়ে রোগী আমাদের কাছে এসেছিলেন। গত ৪ বছর ধরে তিনি একদম ভালো আছেন এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনের সাথে সাথে ট্রেনে করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণও করেন।

এস পি

বয়স ৬৩ বছর, পুরুষ

পূর্ব মেদিনীপুর,

পশ্চিমবঙ্গ

কিডনী ক্যান্সার

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি বড় আকারের রেনাল মাস নিয়ে আমাদের কাছে আসেন।  

রোগী ভালোই থাকছেন এবং রোগের লক্ষণ আর নেই বললেই চলে। রোগীর আরো অনেক ব্যাধি আছে যার মধ্যে হৃদসংক্রান্ত রোগও বর্তমান।

আর পি এস

বয়স ৬৮ বছর, পুরুষ

মীরাট,

উত্তরপ্রদেশ

ক্যান্সার - কোলন, লিভার, সিকাম, অ্যাপেনডিক্স সব মিলিয়ে।  

২০১৪ সালের আগস্ট মাসে রোগী উপরিল্লিখিত রোগের বিস্তৃতি নিয়ে আমাদের টেলিমেডিসিন সার্ভিসে যোগাযোগ করেন।

রোগী এখন ভালো আছেন এবং আমাদের চিকিৎসায় তাঁর শারীরিক অবস্থা অনেক সুস্থিত ও ভালো হয়েছে।

জে এন আর

বয়স ৭৪ বছর, পুরুষ

আমতা, হাওড়া,

পশ্চিমবঙ্গ

ক্যান্সার - ত্বক - শ্রেণী: বেসাল সেল কার্সিনোমা

রোগী দূরারোগ্য ক্যান্সারাস লেসন নিয়ে ৭ই জানুয়ারী ২০১৪ তে আমাদের বাগনান সেন্টারে আসেন।

তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত উন্নতি হয়েছে এবং তিনি প্রায় পুরোপুরিই আরোগ্য লাভ করেছেন ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।

জে ডি

বয়স ৭৪ বছর, পুরুষ

মুম্বাই,

মহারাষ্ট্র

মুম্বাইয়ের ৭০ বছর বয়স্ক রোগী চিকিৎসার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ২০০৭ সালে।

রোগী কণ্ঠনালীর ক্যান্সার-এ ভুগছিলেন এবং তখনই

তাঁর দু’বার অস্ত্রোপচার হয়ে গিয়েছিল।

তিনি আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে তাঁর ফোলা ও কণ্ঠস্বরের কর্কশভাব জাতীয় লক্ষণগুলির যথেষ্ট উন্নতি হতে শুরু করে। রোগীর আরো কিছু সমস্যা ছিল যেমন গাঁটের ব্যাথা এবং বয়সজনিত ব্যাধি।

তিনি নিয়মিত তাঁর অংকোলজিস্ট-এর সাথে ফলো আপ করে চলেছেন এবং গত সাত বছরে তাঁর রোগের কোনো পুনরুদ্ঘাটন হয়নি।

বর্তমানে রোগী কিছু সামান্য ওষুধের মধ্যে দিয়ে আমাদের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বয়সোচিতভাবে ভালো আছেন।

 

রেনাল ফেইলিওর

                                                                                                                                           (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

বি এস

বয়স ৬৮ বছর, মহিলা

কোলকাতা,

পশ্চিমবঙ্গ

রেনাল ফেইলিওর - পঞ্চম স্তর - শ্রেণী: হাইপারটেনসিভ নিউরোপ্যাথি

রোগী যখন ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে আমাদের কাছে আসেন, তখন তাঁর ক্রিয়েটিনিন আয়ত্তের মধ্যে রাখার জন্য ইতিমধ্যেই কিছু ডায়ালিসিস হয়ে গেছে।

খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় এবং দু’বার ডায়ালিসিস করতে হয়।

তারপরেও তাঁর ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ৬-এর ওপরে চলে যায় এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যায়।

১৭ই সেপ্টেম্বর ২০১৫ থেকে রোগী আমাদের ওষুধ খেতে শুরু করেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়, প্রতিটি ব্লাড রিপোর্টে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা কমতে ও  হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়তে দেখা যায়।

নভেম্বর ২০১৫ - রোগীর ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা কমে ৩.৪১ হয়ে যায় (৬.৩৭ থেকে নেমে) আমাদের চিকিৎসা পুনরায় শুরু হওয়ার পর।

উপরিল্লিখিত দৃষ্টান্ত আমাদের চিকিৎসার গুণকারীতা প্রদর্শন করে।

এম এস এস

বয়স ৬৮ বছর, পুরুষ

বালোদ,

ছত্তিশগড়

রেনাল ফেইলিওর - দ্বিতীয় শ্রেণী - ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি - পঞ্চম স্তর

রোগী যখন ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে আমাদের টেলিমেডিসিন সার্ভিসে যোগাযোগ করেন - তখন তাঁর অবস্থা এমনই ছিল যে সপ্তাহে একবার ডায়ালিসিস করতে হচ্ছিল। তাঁর ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ৮-এর ওপর ছিল.

তাঁর ডায়ালিসিস বন্ধ হয়ে যায় ২০১৪ সালের ১৯শে আগস্ট।

তাঁর বর্তমান ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ৪ থেকে ৬-এর মধ্যে থাকে।

তাঁর ইনসুলিনের ইউনিট প্রতিদিন ২২ থেকে নেমে ৫ হয়ে গেছে।

এস বি এস

বয়স ৪৩ বছর, পুরুষ

ছত্তিশগড়

রেনাল ফেইলিওর - পঞ্চম স্তর - শ্রেণী: হাইপারটেনসিভ নেফ্রোপ্যাথি

রোগী যখন ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পঞ্চম স্তরের রেনাল ফেইলিওর (শেষ স্তর) নিয়ে আমাদের টেলিমেডিসিন সার্ভিসে যোগাযোগ করেন, তখন তাঁর ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ছিল ৪.২৯ এবং ডায়ালিসিস প্রায় শুরু হবার মুখে ছিল যা শেষপর্যন্ত কিডনী রিপ্লেসমেন্ট-এ পৌঁছে যেত।

২০১৫ সালের অক্টোবরে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নেমে হয়েছে ২.২৮, যা কিনা চিকিৎসার শুরুতে যা ছিল তার প্রায় অর্ধেক।

কে সি

বয়স ৫৮ বছর, পুরুষ

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

রেনাল ফেইলিওর - দ্বিতীয় স্তর - শ্রেণী: হাইপারটেনসিভ নেফ্রোপ্যাথি

এটি রেনাল ফেইলিওর-এর এমন কিছু উল্লেখযোগ্য কেস নয় কারণ রোগী যখন আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন, তখন তাঁর ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা তেমন ভীতিপ্রদ ছিল না।

যবে থেকে রোগী আমাদের চিকিৎসাধীন হয়েছেন, তবে থেকে আমাদের চিকিৎসা ক্রিয়েটিনিনের মাত্রাকে সর্বদা ৩-এর নিচে রেখে রোগের বৃদ্ধি রোধ করে রাখতে সাহায্য করেছে।

আমাদের চিকিৎসায় না থাকলে এই ধরণের রোগীদের নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে হতো এবং শেষপর্যন্ত কিডনী ট্রান্সপ্লান্ট করাতে হতো।

 

মহিলা রোগ

                                                                                                                                       (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

পি এন

বয়স ২৭ বছর, মহিলা

আসানসোল,

পশ্চিমবঙ্গ

২০১৩ সালের ১২ই আগস্ট রোগী আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন।

বাল্কি ইউটেরাস-সহ প্রাইমারি ইনফার্টিলিটি এবং পিসিওডি নিয়ে ভুগছিলেন তিনি।

আমাদের চিকিৎসা শুরু হবার তিন মাসের মধ্যে রোগী অন্তঃস্বত্বা হন।

পি এল ডি

বয়স ২৯ বছর, মহিলা

বাঁকুড়া

পশ্চিমবঙ্গ

২০১১ সালের ৩শরা ডিসেম্বর রোগী আমাদের চিকিৎসা নিতে শুরু করেন।

প্রধান সমস্যা ছিল…

অনিয়মিত মাসিকচক্র

ইউ এস জি রিপোর্টে দেখা যায় (২৭.১১.২০১১) বাঁদিকে টিউবো ওভেরিয়ান মাস। পরিমাপ ৬.৫ x ৩.২

বাল্কি ইউটেরাস ৯.০ x ৩.৬ x ৫.৪ সেন্টিমিটার

১৯শে এপ্রিল ২০১৪…

মাসিকচক্র এখন নিয়মিত

পেটে এখন আর যন্ত্রনা নেই

তলপেটের ইউ এস জি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে (১৩.০৪.২০১৪) - স্বাভাবিক স্থিতি  

ইউটেরাসের পরিমাপ ৭.৭৮ x ৪.৪৯ x ৩.৭৭ সেন্টিমিটার (আগের থেকে আকারে কমেছে)

ইম্প্রেশন: 

স্বাভাবিক স্থিতি

আই পি

বয়স ২৫ বছর, মহিলা

বেঙ্গালুরু,

কর্ণাটক

২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন। রোগী বাইল্যাটারাল পলিসিস্টিক ওভারিয়ান রোগে ভুগছিলেন।

আমাদের চিকিৎসা শুরু হওয়ার তিন মাসের মধ্যে ইউ এস জি রিপোর্ট নিশ্চিত করে যে রোগীর ওভারিতে আর কোনো সিস্ট নেই।

এখন রোগী শুধুমাত্র পিঠের ব্যাথার জন্য আমাদের চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর অনিয়মিত মাসিকচক্রের সমস্যাও এখন ঠিক হয়ে গেছে।

এন বি

বয়স ৪০ বছর, মহিলা

হাওড়া

পশ্চিমবঙ্গ

২০১৪ সালের জুন মাসে আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন রোগী।

বাল্কি ইউটেরাস, মায়োমা এবং ওভারিয়ান সিস্ট-এর সমস্যা নিয়ে রোগী যখন আমাদের কাছে আসেন, তখন ইতিমধ্যেই তাঁকে অন্যান্য ডাক্তাররা সার্জারি করাতে বলেছিলেন।

২০১৫ সালে যখন তিনি পুনরায় তলপেটের ইউ এস জি করান, তখন তাঁর দু’টি ওভারিই পুরোপুরি স্বাভাবিক দেখা যায়। শুধু তাই নয়, তাঁর মায়োমা অদৃশ্য হয়ে যায় এবং ইউটেরাসের পরিমাপও ছোট হয়ে যায়।

এফ কে

বয়স ২৪ বছর, মহিলা

উদয়পুর,

রাজস্থান

২০১৪’র সেপ্টেম্বরে আমাদের চিকিৎসা শুরুর করেন। তখন তলপেটের ইউ এস জি রিপোর্ট (১৬.০৬.২০১৪) অনুযায়ী:

পরিধিতে একাধিক ছোট ৪ - ৬ মিমি ফলিকলস সহযোগে দু’টি ওভারিই বেশ বড় হয়ে আছে

ডান ওভারি’র পরিমাপ ৩৭ x ২০ x ২৭ মিমি (ভল ১১.২ সিসি)

বাম ওভারি’র পরিমাপ ৩৩ x ২৭ x ২২ মিমি (ভল ১০.৬ সিসি)

দ্রষ্টব্য:

বাইল্যাটারাল মাইল্ড এনলার্জড পলিসিস্টিক ওভারি ইঙ্গিত করছে।

তলপেটের ইউ এস জি রিপোর্ট (০৯.০৬.২০১৫):

দ্রষ্টব্য:

দু’টি ওভারিই স্বাভাবিক মাপের

ডান ওভারি’র পরিমাপ ২৮ x ২৬ x ১৬ মিমি (ভল ৫.৯ সিসি) -- ছোট হয়েছে (১৬.০৬.২০১৪ তে ছিল ৩৭ x ২০ x ২৭ মিমি -- ভল ১১.২ সিসি)

বাম ওভারি’র পরিমাপ ২৮ x ৩০ x ১২ মিমি (ভল ৫.৬ সিসি) -- ছোট হয়েছে (১৬.০৬.২০১৪ তে ছিল ৩৩ x ২৭ x ২২ মিমি -- ভল ১০.৬ সিসি)

পেলভিসে কোনো সলিড অথবা সিস্টিক মাস দেখা যাচ্ছে না -- আগের থেকে আকারে ছোট হয়েছে (১৬.০৬.২০১৪’র রিপোর্ট অনুযায়ী পরিধিতে একাধিক ছোট ৪ - ৬ মিমি ফলিকলস সহযোগে দু’টি ওভারিই বেশ বড় ছিল)

 

ডায়াবেটিস

                                                                                                                                         (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

জি এইচ এম

বয়স ৫২ বছর,

পুরুষ

বর্ধমান,

পশ্চিমবঙ্গ

এক বছর আগে রোগী আমাদের কাছে যখন প্রথম আসেন, তখন তাঁর ডায়াবেটিস মেলিটাস ধরা পড়েছিল এবং ফাস্টিং ব্লাড সুগার অত্যন্ত বেশি ছিল - ২০৯। তাঁর অ্যালোপ্যাথ ডাক্তাররা তাঁকে লাইফ-লং অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ নেওয়া শুরু করে দিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমাদের মেডিক্যাল টিমের চিকিৎসায় তাঁর ব্লাড সুগারের মাত্রা কমতে শুরু করে। বর্তমানে রোগীর সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক হয়ে গেছে যার প্রমান পাওয়া যায় এখানে:

ডায়াবেটিক প্রোফাইল রিপোর্ট (০৬.১০.২০১৫):

এইচ বি এ ১সি -- ৫.৮২ (<৬)

এফ বি এস -- ৮০ (৭০ -- ১১০) -- স্বাভাবিক সীমার ভিতর

পি পি বি এস -- ১৩২ (<১৪০) -- স্বাভাবিক সীমার ভিতর

এ পি

বয়স ৪১ বছর, মহিলা

বাগনান,

হাওড়া,

পশ্চিমবঙ্গ

২০১৪’র ডিসেম্বরে আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন। রোগী সেই সময় নিয়মিত ইনসুলিন নিতেন এবং তা সত্ত্বেও তাঁর ব্লাড সুগারের মাত্রা খুব বেশি ছিল।

আমাদের চিকিৎসার মাধ্যমে আমরা ধীরে ধীরে রোগীর ডায়াবেটিসকে সফলতার সঙ্গে রোধ করতে পেরেছি, যার প্রমান পাওয়া যায় তাঁর ব্লাড সুগারের মাত্রার স্থিরতায় এবং আমাদের চিকিৎসা শুরু করার সময় তিনি যে পরিমান ইনসুলিন নিতেন, আমরা সেটির মাত্রাও অর্ধেক করতে সক্ষম হয়েছি।

আগের ইনসুলিনের পরিমান ছিল ২৪/২২, প্রতিদিন

এখন ইনসুলিনের পরিমান হয়েছে ১০/৮, প্রতিদিন।

পি কে বি

বয়স ৪৮ বছর, পুরুষ

জামশেদপুর

ঝাড়খন্ড

রোগী ডায়াবেটিস সহ আরো অন্যান্য সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে এসেছিলেন।

২০১৫’র জুলাই মাসে তাঁর প্রাথমিক ফাস্টিং ব্লাড সুগারের মাত্রা ছিল ৩২০, যা আমাদের চিকিৎসা শুরু হওয়ার এক মাসের মধ্যে কমে ২৩২ হয়ে যায়। এখন ফাস্টিং ব্লাড সুগারের মাত্রা কমে ১৬৭ হওয়ার সাথে সাথে তাঁর অন্যান্য শারীরিক সমস্যারও অনেক উন্নতি হয়েছে।

রোগীর গলব্লাডার স্টোন-এর সমস্যাও আছে, তবে আমাদের চিকিৎসায় ব্লাড সুগার জনিত সমস্যা থেকে তিনি এখন পুরোপুরি মুক্ত।

এম পি কে

বয়স ৩৬ বছর,

পুরুষ

বর্ধমান

পশ্চিমবঙ্গ

দ্বিতীয় শ্রেণীর ডায়াবেটিসে ভুগছেন রোগী। ২০১৫ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারী আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন। দু’মাসের মধ্যে তাঁর এইচ বি এ ১সি ৬.৫ থেকে কমে ৫.১ হয়ে যায়, যা এখন সীমার যথেষ্ট ভিতরে রয়েছে।

আর পি

বয়স ৫১ বছর, মহিলা

গঞ্জাম

ওডিশা

২০১৪’র ১৯শে এপ্রিল যখন আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন রোগী, তখন তিনি হাইপোথাইরয়েডিসম/এইচ টি এন/ও এ/হাইপারকোলেসটেরোলেমিয়া রোগে ভুগছিলেন এবং রিপোর্টে সবকিছুর মাত্রাই বেশি দেখাচ্ছিল।

তিনি আমাদের টেলিমেডিসিন সার্ভিসে রেজিস্টার করেন এবং আমাদের চিকিৎসা নিতে শুরু করেন। এখন তিনি অনেক ভালো আছেন, যা তাঁর ব্লাড রিপোর্টেও দেখা গেছে।

লিপিড প্রোফাইল টেস্ট রিপোর্ট (০১.০৩.২০১৫):

কোলেস (টি) -- ২২২ এইচ (১২৫ - ২০০)

কমেছে (২৪.০৯.২০১৪-এ ছিল ২২৮)

ট্রাইগ্লি -- ১৬৮ (২৫ - ২০০)

কমেছে (২৪.০৯.২০১৪-এ ছিল ২২৯)

ইউরিক অ্যাসিড -- ৬.২ এইচ (২.৬ - ৬)

কমেছে (২৪.০৯.২০১৪-এ ছিল ৬.৬৮)

ডায়াবেটিক প্রোফাইল রিপোর্ট (০১.০৩.২০১৫):

এইচ বি এ ১সি -- ৫.৯ (<৬)

কমেছে (২৪.০৯.২০১৪-এ ছিল ৬.৩)

   

হাইপোথাইরয়েডিসম

                                                                                                                                    (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

এ কে

বয়স ৩১ বছর, মহিলা

হাজারীবাগ

ঝাড়খন্ড

রোগীর ইমেল:

ম্যাডাম/স্যার

গত দেড় বছর ধরে আমরা আপনাদের টেলিমেডিসিন সেন্টারে চিকিৎসাধীন আছি।

যে রোগ নিয়ে আমি আপনাদের টীম-এর দ্বারা চিকিৎসা করাচ্ছিলাম, সেই রোগ থেকে আমি এখন মুক্ত।  

ডাঃ পি ব্যানার্জী এবং তাঁর টীম আমার রোগের নির্ভূল  নির্ণয় করতে এবং পরবর্তীকালে আমাকে সম্পূর্ণ রোগমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন।

আমি আপনাদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।

আমি আমাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং বন্ধুবান্ধবদেরও আপনাদের টেলিমেডিসিন সেন্টারে রেফার করেছি।

আমি আরও একবার আপনাদের টীমকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাকে রোগমুক্ত হতে সাহায্য করার জন্য ও অনুপ্রেরণা দেবার জন্য।

উপরিল্লিখিত কারণে আমি আমার সাবস্ক্রিপশন আর রিনিউ করাচ্ছি না।

ধন্যবাদ।  

ডি বি

বয়স ৩৫ বছর, মহিলা

হুগলী,

পশ্চিমবঙ্গ

২০১৪’র ১৭ই মে তে রোগী প্রথম আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন।

সেই সময় তাঁর মুখ্য সমস্যা ছিল দূর্বলতা, স্মৃতিভ্রংশতা, হৃদকম্পন, মানসিক উদ্বেগ।

রোগী ২৭শে আগস্ট ২০১৫ তে আমাদের কাছে এসেছিলেন আবার। তখন তাঁর সমস্যাগুলির লক্ষণীয় উন্নতি দেখা যায়।

দূর্বলতা - এখন আর নেই

স্মৃতিভ্রংশতা - কমেছে

হৃদকম্পন - এখন আর নেই

মানসিক উদ্বেগ - এখন আর নেই

টি পি

বয়স ২৩ বছর, মহিলা

বাঁকুড়া

পশ্চিমবঙ্গ

১০ই এপ্রিল ২০১৩ তে আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন।

সেই সময় তাঁর মুখ্য সমস্যাগুলি ছিল -

অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া, তন্দ্রাচ্ছন্নভাব, সর্দিকাশির ধাত, চুল উঠে যাওয়া।

টি এস এইচ - ৭.৬ (স্বাভাবিক ০.৭ - ৬.৪)

বর্তমান অবস্থা:

ক্লান্তি - ৭৫% কম

তন্দ্রাচ্ছন্নভাব - এখন আর নেই

সর্দিকাশির ধাত - আনুসাঙ্গিক লক্ষণ এখন আর নেই

চুল ওঠা - ৫০% কম

টি এস এইচ (১৯শে মার্চ ২০১৪) - ২.২ (স্বাভাবিক ০.৪২ - ৫.৪৫)

এস এস

বয়স ৩৫ বছর, মহিলা

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

টি এস এইচ (২৮.১১.২০১৩) - ১০.৩৮ (স্বাভাবিক ০.৩৫২ - ৫.৫)

টি এস এইচ (১০.০৪.২০১৪) - ৫.৫৬ (স্বাভাবিক ০.৩৫২ - ৫.৫)

লক্ষণভিত্তিক উন্নতি:

ক্লান্তি, মানসিক উদ্বেগ এবং চুল ওঠা লক্ষণীয়ভাবে কম।

জি বি

বয়স ৩১ বছর, মহিলা

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

রোগী বহু বছর ধরে এল্ট্রক্সিন ১০০এমসিজি নিচ্ছিলেন। নেওয়া পুরোপুরি ছেড়ে দেন এবং আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন। আমাদের চিকিৎসায় এত ভালো ফল পান যে আমাদের ওষুধও কিছুদিন পর বন্ধ করে দেন।

টি এস এইচ - ৪.৮০ (স্বাভাবিক ০.৪২ - ৫.৪৫)

 

প্যানক্রিয়াটাইটিস

                                                                                                                                       (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

এস এম

বয়স ১২ বছর, বালক

দূর্গাপুর

পশ্চিমবঙ্গ

প্রত্যাবর্তনশীল তীব্র প্যানক্রিয়াটাইটিসের রোগী।

আমাদের ক্লিনিকে প্রথম এসেছিলেন ২০১৫ সালের ১৯শে মে তারিখে।

রোগীর বর্তমান অ্যামাইলেস এবং লাইপেস-এর মাত্রা (এই রোগের দু’টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থিতিমাপ) কমে স্বাভাবিক স্তরে চলে এসেছে।

লাইপেস -- ২৬ (১৩-৬০) -- কমে স্বাভাবিক সীমার ভিতর চলে এসেছে (০২.০৫.২০১৫ তারিখে ছিল ১৭২৭)

অ্যামাইলেস -- ৫২.৯ (৩০-১১৮) -- কমে স্বাভাবিক সীমার ভিতর চলে এসেছে (০২.০৫.২০১৫ তারিখে ছিল ২৬৭৬)

এ এস

বয়স ১৮ বছর, পুরুষ

পূর্ব মেদিনীপুর

পশ্চিমবঙ্গ

রোগীর প্যানক্রিয়াটাইটিস আমাদের চিকিৎসায় সম্পূর্ণরূপে সেরে গেছে। আগে তিনি প্রায় ১০ বছর অ্যালোপাথিক চিকিৎসাধীন ছিলেন। অ্যালোপাথিক চিকিৎসাধীন থাকাকালীন তাঁকে প্রায় ৬০ বার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। আমাদের চিকিৎসা শুরু হবার পর তাঁকে একবারমাত্র হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে।

পি জি

বয়স ৯ বছর, বালিকা

মান্ডি গোবিন্দগড়,

পাঞ্জাব

প্রত্যাবর্তনশীল তীব্র প্যানক্রিয়াটাইটিসের রোগী।

০১.০৪.২০১৪ তে প্রথম আমাদের চিকিৎসা শুরু করে টেলিমেডিসিন ব্যবস্থার মাধ্যমে।

কোনোদিন আমাদের ক্লিনিকে আসেনি।

লাইপেস -- ৮৪ (০-২০০) -- কমে স্বাভাবিক সীমার ভিতর চলে এসেছে (১৫.০২.২০১৪ তারিখে ছিল ৫২০ {০-২০০})

অ্যামাইলেস -- ৫১ (২৫-১১০) -- কমে স্বাভাবিক সীমার ভিতর চলে এসেছে (১৫.০২.২০১৪ তারিখে ছিল ১২৬৪ {৩৫-১৪০})

এ কে

বয়স ৩৪ বছর, পুরুষ

আবহার

পাঞ্জাব

আমাদের টেলিমেডিসিনের রোগী। আমাদের চিকিৎসা শুরু’র আগে ক্রনিক ক্যালসিফিক প্যানক্রিয়াটাইটিসের (প্রত্যাবর্তনশীল) লম্বা ইতিহাস ছিল, কিন্তু আমাদের চিকিৎসার পর এখন অনেক ভালো আছেন, সমস্ত স্ক্যান রিপোর্টও তাই নিশ্চিত করছে। ভিডিও রেকর্ডিং উপলব্ধ।

আর এস

বয়স ৫৪ বছর, মহিলা

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

রোগী প্যানক্রিয়াটাইটিসে ভুগছিলেন।

আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন ২০১৩’র ১১ই নভেম্বর।

লিভার ফাঙ্কশন টেস্ট রিপোর্ট (০৩.০৯.২০১৩):

জিজিটি - ৬১ এইচ (৭ - ৫৮)

অ্যামাইলেস - ১৫৮ এইচ (২৮ - ১০০)

সেই সময় রোগীর পেটের ভারিভাব এবং ফুলে থাকা ছিল, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার জন্য বুকে ব্যথা হতো, অম্বল - বুকজ্বালা, মুখের ভিতর টকভাব -- মাঝে মাঝে।

লিভার ফাঙ্কশন টেস্ট রিপোর্ট (১৩.০১.২০১৪):

অ্যামাইলেস -- ৮০ (২৮ - ১০০)

এনজাইম অ্যাসে রিপোর্ট (১৩.০১.২০১৪):

লাইপেস -- ৫৩ (৮ - ৫৭)

অ্যামাইলেস -- ৭০ (৩৬ - ১২৮)

রোগীর এখন আর কোনো গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নেই

পেটে ব্যথা - নেই

পেটের ভারিভাব এবং ফুলে থাকা - নেই

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার জন্য বুকে ব্যথা - নেই

বুকজ্বালা - এখন আর নেই

মুখের ভিতর টকভাব - এখন আর নেই

এস আর

বয়স ৩০ বছর, পুরুষ

কোলকাতা /

বাগনান

পশ্চিমবঙ্গ

ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিসের রোগী - নিয়মিত প্যানক্রিয়াটাইটিস অ্যাটাক হতো, ২০১১’র ডিসেম্বরে প্রচন্ড ওজন কমে যায়।

তিনি এখন পুরোপুরি সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে সক্ষম।

তাঁর ওজনও বেড়ে ৭৩-৭৪ কেজি হয়ে যায়, যেমন ছিল প্যানক্রিয়াটাইটিস হবার আগে। প্যানক্রিয়াটাইটিসে আক্রান্ত হওয়াকালীন তাঁর ওজন কমে ৬২-৬৪ কেজি হয়ে গিয়েছিল।

এখন তিনি সাধারণ খাবার খান এবং তাঁর খাওয়ার ওপর প্রায় কোনো বাধা-নিষেধই আর নেই।

       

পাইল্স

                                                                                                                                         (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

এম এস

বয়স ৩০ বছর, মহিলা

বাগনান

পশ্চিমবঙ্গ

৩০ বছর বয়স্ক বাগনানের রোগী, যিনি পাইল্স-এর তীব্র সমস্যায় ভুগছিলেন এবং তাঁকে অন্যান্য ডাক্তাররা সার্জারি করাতেও পরামর্শ দিয়েছিলেন। .

২০১৫’র সেপ্টেম্বরে আমাদের চিকিৎসা শুরু করার পর থেকে তাঁর যন্ত্রণা, জ্বালা ও রক্তপড়া সহ পাইল্স-এর সব রকম সমস্যার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে।

তাঁর বাহ্য-স্ফীতি’র আকারও ছোট হয়েছে।

এ এস

বয়স ২৮ বছর, মহিলা

ভাগলপুর

বিহার

২০১২ সালের ১১ই জুলাই আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন।

সেই সময় রোগীর পাইল্স-এর রক্তক্ষরণ সহ তীক্ষ্ণ জ্বালা এবং যন্ত্রণা ছিল।

গ্যাস এবং অম্বল-এর সমস্যাও ছিল তাঁর।  

বর্তমানে তিনি অনেক ভালো আছেন এবং তাঁকে এখন খুব সামান্য ওষুধই খেতে হয়।

তাঁর সব রকম সমস্যার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে এবং তিনি সার্জারি করাতে যাননি।

পি এস

বয়স ৫৬ বছর, মহিলা

মালদা

পশ্চিমবঙ্গ

রোগী ২০১২’র জুলাই মাসে পাইল্স-এর সমস্যা এবং অস্টিওআর্থ্রাইটিস নিয়ে প্রথম আমাদের ক্লিনিকে আসেন।

আমাদের চিকিৎসায় তিনি আগের থেকে অনেক ভালো আছেন এবং তাঁর পাইল্স ও অন্যান্য সমস্যাগুলি প্রায় নেই বললেই চলে। তিনি সার্জারি করাতে যাবেন না।

এস এস

বয়স ৩৯ বছর, মহিলা

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

পাইল্স সহ একাধিক সমস্যা নিয়ে এই ৩৯ বছর বয়স্ক রোগী ২০১৪’র মার্চ মাসে যখন আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন, তখন পাইল্স তাঁর সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল।

প্রায় এক মাস পর তিনি যখন দ্বিতীয়বার আমাদের কাছে দেখাতে আসেন, তখন তাঁর পাইল্স সংক্রান্ত সবরকম সমস্যা - যেমন ফোলা, যন্ত্রনা, জ্বালা - প্রায় কিছুই আর ছিল না। বর্তমানে তিনি অন্যান্য শারীরিক সমস্যার জন্য আমাদের চিকিৎসাধীন আছেন, কিন্তু তাঁর পাইল্স-এর কোনো পুনরাবৃত্তি আর হয়নি।

এ বি

বয়স ২২ বছর, পুরুষ

ব্যারাকপুর

পশ্চিমবঙ্গ

২০১২’র ৬ই আগস্ট রোগী আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন। তখন তাঁর সমস্যা ছিল - পায়খানার পর রক্তপড়া, যন্ত্রণা এবং জ্বালা।

বর্তমান পরিস্থিতি -

রক্তপড়া - বন্ধ হয়ে গেছে

যন্ত্রনা - এক আধ বার মাঝেসাজে

জ্বালা - এখন আর নেই

রোগী সার্জারি করাতে যাচ্ছেন না।

 

কিডনি স্টোনস 

                                                                                                                                        (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

আর এস

বয়স ৩২ বছর, পুরুষ

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

২০১৪’র ২৫শে ফেব্রুয়ারিতে রোগী প্রথম আমাদের ক্লিনিকে আসেন।

ডানদিকের কিডনি স্টোন-এর পরিমাপ - ৯ মিমি

বামদিকের কিডনি স্টোন-এর পরিমাপ - ৭ মিমি

৬ই জানুয়ারী ২০১৪’র ইউএসজি রিপোর্ট অনুযায়ী এটি দেখা যায়।

৪ঠা এপ্রিল ২০১৪’র ইউএসজি রিপোর্ট অনুযায়ী কিডনি স্টোন-এর কোনো উপস্থিতি নেই। রিপোর্ট স্বাভাবিক।

রোগীর ফ্যাটি চেঞ্জেস-যুক্ত হেপাটোমেগালি ছিল আগে।

আমাদের চিকিৎসাধীনে ইউএসজি রিপোর্ট অনুযায়ী এটিও স্বাভাবিক দেখাচ্ছে।

এ সি

বয়স ৪০ বছর, পুরুষ

হাওড়া

পশ্চিমবঙ্গ

৯ই এপ্রিল ২০১৪ তে আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন।

ইউএসজি কেইউবি রিপোর্টে (১১.০৩.২০১৪) একাধিক ছোটো ছোটো রেনাল ক্যালকুলাই দেখা যায়।

পরিমাপ - ৩.২ মিমি, ২.৭ মিমি এবং ৩.৪ মিমি (ডানদিকের কিডনিতে)

২.৬ মিমি, ৩.০ মিমি (বামদিকের কিডনিতে)

১৪.১১.২০১৪’র ইউএসজি রিপোর্টে দেখা যায় - আর কোনো ক্যালকুলাই অবশিষ্ট নেই।

এম এস

বয়স ৫৯ বছর, পুরুষ

বাঁকুড়া

পশ্চিমবঙ্গ

২৪শে এপ্রিল ২০১৪ থেকে আমাদের চিকিৎসা কশুরু করেন রোগী।

ইউএসজি কেইউবি রিপোর্ট (১১.০৪.২০১৪) অনুযায়ী বাইল্যাটারাল নেফ্রোলিথিয়াসিস।

ডানদিকের কিডনি’র ক্যালকুলাস - ৪.১ মিমি

বামদিকের কিডনি’র ক্যালকুলাই - ১০.৭ মিমি, ৮.৫ মিমি এবং ৮.০ মিমি।

০৪.০৯.২০১৪’র ইউএসজি রিপোর্টে কোনো ক্যালকুলাস দেখা যায়নি।

এন এম

বয়স ৩৩ বছর, মহিলা

বোলপুর

পশ্চিমবঙ্গ

২০১৩ সালের ৯ই নভেম্বর আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন রোগী।

২৩.০২.২০১৩’র পেটের ইউএসজি রিপোর্টে ডানদিকের কিডনিতে ৭.৮ মিমি পরিমাপের ক্যালকুলাস দেখা যায়।

আমাদের চিকিৎসা নেওয়ার পর ০৬.১২.২০১৩’র ইউএসজি রিপোর্টে কোনো ক্যালকুলাস দেখা যায়নি।

এস এম

বয়স ৩৭ বছর, মহিলা

পুনে

মহারাষ্ট্র

ইউএসজি অ্যাবডোমিনো পেলভিক (১০.০৭.২০১৩):

দ্রষ্টব্য:

গলব্লাডার “ওয়েল ডিস্টেন্ডেড” অর্থাৎ ভালোমত ফুলে আছে। তার মধ্যে ১২-১৩ মিমি পরিমাপের মোবাইল ইকোজেনিক ক্যালকুলাস আছে। গলব্লাডারে মাইল্ড কন্সেনট্রিক মিউকোসাল থিকেনিংদেখা গেছে।

দু’টি কিডনিতেই খুব ছোটো আকারের - ২-৩ মিমি পরিমাপের ইকোজেনিক লিসিয়ান দেখা গেছে। এরা হয়তো খুব ছোটো আকারের ক্যালকুলাই দর্শায়।

অ্যাবডোমিনো পেলভিক সোনোগ্রাফি রিপোর্ট (১৬.০৭.২০১৫):

লক্ষণ:

লিভার, গলব্লাডার, প্যানক্রিয়াস, স্প্লীন, দু’টি কিডনি, ইউরেটারস, ইউটেরাস, দু’টি ওভারি - সব স্বাভাবিক দেখাচ্ছে এবং পরিমাপও স্বাভাবিক।

দ্রষ্টব্য:

ই/ও ছোটো আম্বিলিকাল হার্নিয়া (৬-৭ মিমি)

বাকি অ্যাবডোমিনো পেলভিক স্টাডি স্বাভাবিক সীমারেখার মধ্যে আছে।

     

আর্থরাইটিস

                                                                                                                                        (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

এ ডি

বয়স ২৪ বছর, পুরুষ

মুর্শিদাবাদ

পশ্চিমবঙ্গ

৫ই নভেম্বর ২০১২

নির্ণীত রোগ: রিউমাটয়েড আর্থরাইটিস

সমস্যা:

ফোলা সহ একাধিক জয়েন্ট-এ ব্যথা, শক্তভাব এবং জয়েন্ট-এর বিকৃতি।

এটি একটি অটো-ইমিউন রোগ এবং অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি দ্বারা এর চিকিৎসা করা প্রায় অসম্ভব।

তৎসত্ত্বেও, আমাদের চিকিৎসায় রোগীর যন্ত্রনা, শক্তভাব, ফোলা ইত্যাদি ক্রমে কম হতে থাকে এবং এমন একটি সময় আসে যখন তিনি প্রায় দু’মাস আমাদের ওষুধ ছাড়াও যন্ত্রণামুক্ত ছিলেন।

জি এস

বয়স ৪৩ বছর, মহিলা

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

নির্ণীত রোগ: ট্রমাটিক লাম্বার স্পন্ডিলোসিস।

২০১৪ সালের ২১শে মে আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন রোগী।

সেই সময় তাঁর সমস্যা ছিল:

লামব্রোস্যাক্র্যাল রিজিওন-এ যন্ত্রনা

যন্ত্রনা নেমে দু’টি পা পর্যন্ত চলে যাওয়া, বিশেষত বসে থাকতে থাকতে উঠে দাঁড়ালে আর ঝুঁকতে গেলে

ক্র্যাম্প

ফোলা

শক্তভাব

ঊরুতে অসাড় ভাব

ডান পায়ের পাতায় যন্ত্রনা

ঊরুতে জ্বালাভাব

চলতে অসুবিধা  

বর্তমান অবস্থা:

রোগী নিশ্চিতভাবে জানিয়েছেন যে উপরিল্লিখিত তাঁর সব সমস্যাগুলি এখন অনেক কম আছে।

 

ডি ডি

বয়স ৬৫ বছর, মহিলা

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

নির্ণীত রোগ: আর্থরাইটিস ও হাইপারটেনশন

দু’টি হাঁটুতেই প্রচন্ড যন্ত্রণা এবং ফোলা

বাঁ কাঁধে শক্তভাব ও ব্যথা-যন্ত্রনা  

বর্তমানে আমাদের চিকিৎসায় রোগী আগের থেকে অনেক ভালো আছেন।

তাঁর হাঁটু ও কাঁধের ফোলা আর যন্ত্রনা কমেছে। তাঁর চলাফেরাও অনেক স্বচ্ছন্দ হয়েছে।

এস জে

বয়স ৪৬ বছর, মহিলা

হুগলী

পশ্চিমবঙ্গ

২০১৫’র এপ্রিলে আমাদের বর্ধমান ক্লিনিকে প্রথম এসেছিলেন।

সেই সময় সমস্যা ছিল:

দু’কাঁধে, পিঠে এবং লোয়ার এক্সট্রিমিটিস-এ ব্যথা-যন্ত্রনা।  

আমাদের চিকিৎসা শুরু করার দু’মাসের মধ্যেই তাঁর সমস্যার উন্নতি হতে শুরু করে এবং এখন তাঁর শারীরিক অবস্থা যথেষ্ট ভালো থাকছে।

বি এস

বয়স ৭৭ বছর, মহিলা

মুর্শিদাবাদ

পশ্চিমবঙ্গ

২০১৩ সালের ১৯শে অক্টোবর প্রথম আমাদের চিকিৎসা নিতে শুরু করেন।

সেই সময় সমস্যা ছিল:

রিউমাটয়েড আর্থরাইটিস ও সেইজনিত ব্যথা

বাঁ হাঁটুতে ব্যথা

লোয়ার ব্যাকে ব্যথা-যন্ত্রনা এবং সকালবেলায় শক্তভাব

বাঁ গোড়ালীর জয়েন্ট-এ ফোলা

এবং ওই সময় রোগী এই সব সমস্যা নিয়ে ইতিমধ্যেই ৫ বছর ভুগছেন।

আমাদের চিকিৎসায় উপরিল্লিখিত সব সমস্যাই এখন যথেষ্ট কমেছে।

     

সিরোসিস অফ লিভার

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

আই জি

বয়স ২ বছর, বালক

কোলকাতা

পশ্চিমবঙ্গ

রোগ নির্ণীত - সিরোসিস অফ লিভার - তৎক্ষণাৎ লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন অন্যান্য ডাক্তাররা।

৬ মাস বয়সের যে বাচ্চাটিকে তৎক্ষণাৎ লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন অন্যান্য ডাক্তাররা - আমাদের চিকিৎসায় আজ এক বছরের অধিক সময় ধরে সে ভালো আছে এবং তার লিভার সংক্রান্ত সব রকম মাত্রা স্থিরভাবে উন্নত হচ্ছে।

দেড় বছর হয়ে গেছে এবং রোগীর শারীরিক উন্নতি অব্যাহত আছে।

<script charset="ISO-8859-1" src="//fast.wistia.com/assets/external/E-v1.js" async></script><span class="wistia_embed wistia_async_au1lar3n1q popover=true popoverAnimateThumbnail=true" style="display:inline-block;height:236px;width:420px">&nbsp;</span>

 

মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস

(ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

এন এম

পুরুষ

পুনে এবং

বর্তমানে আমেরিকায়

মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস

২০০৮-এ রোগী যখন আমাদের টেলিমেডিসিন সার্ভিসে যোগাযোগ করেন, তখন তাঁর বার বার মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস অ্যাটাক হচ্ছিল।

আমাদের চিকিৎসায় তাঁর এই বার বার অ্যাটাক হওয়া বন্ধ হয়ে যায় এবং তাঁর অন্যান্য লক্ষণও অল্প সময়ের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়।

আমরা এই কেসটিকে ফলো করে চলেছি এবং জানুয়ারী ২০১৬-এর খবর এই যে রোগীর এখনো পর্যন্ত আর একবারও মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস অ্যাটাক হয়নি।

এখন আমাদের ওষুধও বন্ধ আছে।

<script charset="ISO-8859-1" src="//fast.wistia.com/assets/external/E-v1.js" async></script><span class="wistia_embed wistia_async_j8zer1glm6 popover=true popoverAnimateThumbnail=true" style="display:inline-block;height:236px;width:420px">&nbsp;</span>

অন্যান্য                                                                                                                              (ওপর)

রোগীর বিবরণ

স্থান

বর্ণনা

এ এম

বয়স ৬২ বছর, পুরুষ

হাওড়া,

পশ্চিমবঙ্গ

২০০৯ সালে একটি পথ দুর্ঘটনায় রোগী গুরুতরভাবে আহত হন এবং তাঁর ব্রেইন হেমারেজও হয়। তখন তিনি অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ খেতে শুরু করেন যে কারণে তিনি আচ্ছন্ন হয়ে থাকতেন।

বছরখানেক অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ খাওয়ার পর তিনি ডাঃ পরমেশ ব্যানাৰ্জী’র সঙ্গে দেখা করেন এবং আমাদের নিজস্ব অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খেতে শুরু করেন। ক্রমশ তাঁর আচ্ছন্নভাব কেটে যায় এবং অন্যান্য লক্ষণগুলিও চলে যায়।

২০১৪’র অক্টোবর মাসে তাঁর ডায়াবেটিস ধরা পড়ে এবং সেই সময় তাঁর এইচবিএ১সি ছিল ১২.১।

তাঁর ওজনও কমে যাচ্ছিল।

আমাদের ওষুধে তাঁর রোগের ক্রমশ উন্নতি হয়েছে এবং তাঁর ফেব্রুয়ারী ২০১৭’র এইচবিএ১সি কমে হয়েছে ৬.৭।

রোগীর পশচারাল ভার্টিগো (postural vertigo) ছিল এবং কাঁধের জায়গায় যন্ত্রণাও ছিল যা সার্ভিকাল স্পনডিলোসিস কে ইঙ্গিত করে।

আমাদের ওষুধ এবং কিছু ভোজনপ্রণালী অনুসরণ করে বর্তমানে তিনি সুস্থ জীবন জাপান করছেন।

এ বি

বয়স ৬ বছর, পুরুষ

জাব্বালপুর

মধ্য প্রদেশ

থ্যালাসেমিয়া মেজর রোগে আক্রান্ত ৬ বছরের একটি বাচ্চা ছেলেকে আমাদের কাছে নিয়ে আসা হয়েছিল ২০১১ তে যখন ইতিমধ্যেই তার ব্লাড ট্রান্সফিউশন শুরু হয়ে গিয়েছিল।

২০১৫ পর্যন্ত আমাদের চিকিৎসাধীন ছিল।

During the entire course of our treatment the

আমাদের চিকিৎসাধীন থাকাকালীন রোগীকে মাত্র ৪ অথবা ৫ বার ব্লাড ট্রান্সফিউশন করতে হয়েছিল এবং তা সত্ত্বেও তার হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কখনোই ৮.৬ এর নিচে নামেনি।

অন্যান্য থ্যালাসেমিয়া রোগীদের মতো এই বাচ্চাটি সম্পর্কিত বা অসম্পর্কিত কোনধরণের সংক্রামক ব্যাধি দ্বারা আক্রান্ত হয়নি এবং সর্দি, কাশি জ্বর জাতীয় ঘটনাও খুব কম জ্ঞাপিত হয়েছে।

এন এল,

বয়স ৩৮ বছর, পুরুষ

নয়ডা,

উত্তর প্রদেশ

৩১শে জুলাই ২০১৬ সালে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন গলব্লাডার স্টোন-এর সমস্যা নিয়ে।

নিম্নলিখিত বিবরণটি আমাদের একজন ডাক্তারের:

"আজকে উনি (রোগী) ইউএসজি করিয়েছেন এবং সেখানে গলব্লাডারে কোনো স্টোন দেখা যায় নি।  

গতকালও উনি (রোগী) হাসপাতালে ইউএসজি করিয়েছিলেন এবং সেই স্ক্যানেও গলব্লাডার নর্মাল দেখিয়েছিলো কিন্তু ওখানের ডাক্তার সেটা বিশ্বাস করতে পারেননি আর তাই ওনাকে আবার টেস্ট করতে বলেছিলেন। আজকের রিপোর্টে এটা প্রমান হয়ে গেলো যে ওনার গলব্লাডারে স্টোন আর নেই।

হাসপাতালের দুজন ডাক্তার আজ ওনার (রোগীর) রিপোর্টটি আবার নিরীক্ষণ করেছেন এবং তাঁরা অবাক হয়েছেন এই দেখে যে রোগীর গলব্লাডারে স্টোন আর নেই।

রোগী নিজে অত্যন্ত সন্তুষ্ট কারণ অন্য ডাক্তার তাঁকে সার্জারি করতে বলেছিলেন কিন্তু আমাদের চিকিৎসায় তাঁর রোগ সেরে গেলো আর তাঁকে সার্জারি করাতে হলো না।"

ডি সি

বয়স ১৮ বছর, মহিলা

জলপাইগুড়ি

পশ্চিমবঙ্গ

2013’র সেপ্টেম্বরে অসটিওকনড্রোম্যাটোসিস, যা কিনা একটি জন্মগত রোগ, নিয়ে আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন।

রোগীর দেহের বিভিন্ন জায়গায় ‘বোনি গ্রোথ’ বা হাড় বৃদ্ধি ছিল যা যন্ত্রনাদেয় ছিল ও ফুলেও যেতো।

আমাদের চিকিৎসাধীনে তাঁর সমস্যাগুলি কমতে শুরু করে এবং দেড় বছরের মধ্যেই ‘বোনি গ্রোথ’ গুলি প্রায় উপেক্ষণীয় হয়ে যায়। বর্তমানে কিছু সামান্য সমস্যা নিয়ে তিনি এখনো আমাদের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ এ

বয়স ১০ বছর, বালক

বর্ধমান

পশ্চিমবঙ্গ

মাস্ক্যুলার ডিস্ট্রফি

অবস্থার উন্নতি হয়েছে

সিপিকে -- ১৫৭ (১৯০ পর্যন্ত) -- স্বাভাবিক হয়ে গেছে (২৮.০২.২০১৫ তারিখে ছিল ২৯৩)

এস এ

বয়স ৩৩ বছর, মহিলা

বাঁকুড়া

পশ্চিমবঙ্গ

গলব্লাডার স্টোনের রোগী। ২০১৩ থেকে আমাদের চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর ২৩শে এপ্রিল ২০১৫’র ইউএসজি রিপোর্টে দেখা গেছে যে ক্যালকুলাসের পরিমাপ ছোটো হয়ে ১.৩ সেন্টিমিটার হয়েছে যা আগে (১২ই জুলাই ২০১৪) ছিল ২.২ সেন্টিমিটার। এর সাথে সাথে তাঁর অন্যান্য লক্ষণেরও উন্নতি হয়েছে।

কে সি

বয়স ৫৪ বছর, মহিলা

মেদিনীপুর

পশ্চিমবঙ্গ

ইনি একজন স্ক্যাবিসের রোগী। ২০১৪’র সেপ্টেম্বরে আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন।

সেই সময়ের লক্ষণীয় সমস্যাগুলি ছিল:

এক বছরের বেশি সময় ধরে রোগী এই রোগে ভুগছেন

রোগ সারা শরীরে ছড়িয়ে গেছে

স্কেলিং ও পুঁজ হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে অসহ্য চুলকানি এবং রক্তপড়া

সারা শরীর থেকে দূর্গন্ধ

গলায় আলসারেশন

বর্তমানে শরীরে ক্ষতচিহ্নের দাগ ছাড়া আর কিছু নেই। অন্যান্য সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।

এস কে এস

বয়স ৪০ বছর, পুরুষ

রায়পুর

ছত্তিশগড়

ডিসেম্বর ২০১৩ থেকে আমাদের চিকিৎসাধীন আছেন।

দু’টি পায়েই সোরিয়াসিস লিসিয়ান্স আছে।

আমাদের চিকিৎসায় আশ্চর্জ্জনকভাবে সেরে গেছে।

শুষ্কভাব, চুলকানি এবং ফেটে যাওয়া অনেক কমে গেছে। অনেকদিন নতুন কোনো লিসিয়ান্স হয়নি। রোগীর নিজের মতে তিনি এখন আগের থেকে ৯৫% ভালো আছেন।

আর পি

বয়স ৫১ বছর, মহিলা

গঞ্জাম

ওডিশা

২০১৪ সালের ১৯শে এপ্রিল রোগী আমাদের চিকিৎসা শুরু করেন -- হাইপোথাইরয়েডিসম/এইচ টি এন/ও এ/হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া - এই সকল রোগের জন্য এবং সেই সময়ের রিপোর্টস অনুযায়ী সবকিছুর মাত্রাই বেশি ছিল 

আমাদের টেলিমেডিসিন সার্ভিসে রেজিস্টার করেন এবং সেই থেকে আমাদের চিকিৎসা নেন। এখন তিনি অনেক ভালো আছেন, যা তাঁর ব্লাড টেস্ট রিপোর্টেও দেখা যায়।

লিপিড প্রোফাইল টেস্ট রিপোর্ট (০১.০৩.২০১৫):

কোলেস (টি) - ২২২ এইচ (১২৫ - ২০০)

কমেছে (২৪.০৯.২০১৪ তে ছিল ২২৮)

ট্রাইগ্লি - ১৬৮ (২৫ - ২০০)

কমেছে (২৪.০৯.২০১৪ তে ছিল ২২৯)

ইউরিক অ্যাসিড - ৬.২ এইচ (২.৬ - ৬)

কমেছে (২৪.০৯.২০১৪ তে ছিল ৬.৬৮)

ডায়াবিটিক প্রোফাইল রিপোর্ট (০১.০৩.২০১৫):

এইচ বি ১সি - ৫.৯ (<৬)

কমেছে (২৪.০৯.২০১৪ তে ছিল ৬.৩)

নাদাবী: অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন যে উপরিল্লিখিত তথ্য আমাদের রিসার্চ কার্যের আংশিক প্রদর্শন এবং রোগের পরিনামগুলি কেবলমাত্র যথাক্রমে রোগীদের জন্য প্রযোজ্য।

রোগের পরিনাম ভিন্ন ভিন্ন রোগীর ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে এবং কখনোই মনে করা উচিত নয় যে সবার জন্য কার্যকরী হবে।

আমাদের চিকিৎসায় পরিনাম সংক্রান্ত কোনো ধরণের প্রতিশ্রুতি আমরা দিইনা।

COPYRIGHT DR. PARAMESH BANERJI - 1999-2016 ALL RIGHTS RESERVED.